নোটিশ

আশূরা মিনাল মুহররম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আশূরা মিনাল মুহররম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১০

আশূরা সংশ্লিষ্ট বিশুদ্ধ আক্বীদা

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মূলত যে কোনো নেক আমলের বিনিময়ে মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ সন্তুষ্টি হাছিল করার পূর্বশর্ত হচ্ছে বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষণ করা। খালিছ ঈমানদার বা আল্লাহওয়ালা হতে হলে প্রথমত আক্বীদাকে বিশুদ্ধ করতে হবে অর্থাৎ প্রতি ক্ষেত্রে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা অনুযায়ী আক্বীদা পোষণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত প্রতি ক্ষেত্রে সুন্নতের ইত্তিবা তথা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসে বর্ণিত নেক আমলগুলো করতে হবে।

আশূরা সংক্রান্ত একটি ওয়াকিয়া বা ঘটনা

“হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, তোমরা মুহররম মাসকে এবং এর মধ্যস্থিত আশূরার দিনকে সম্মান করো। যে ব্যক্তি মুহররম মাসকে তথা আশূরার দিনকে সম্মান করবে, আল্লাহ পাক তাকে জান্নাত দ্বারা সম্মানিত করবেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করবেন।”

সোমবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১০

আশূরার আমল ও এর ফযীলত

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা (হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত আশূরার আমলগুলো করে) আশূরা মিনাল মুহররমকে সম্মান করো।

প্রত্যেক বান্দা-বান্দি ও উম্মতের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে-আশূরা উপলক্ষে দুটি রোযা রাখা, রোযাদারকে ইফতারি করানো, আশূরার দিন আশূরার সম্মানার্থে গোসল করা, চোখে সুরমা দেয়া, ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলানো, ক্ষুধার্ত ও পিপাসার্তকে পানাহার করানো আশূরার অন্যতম ফযীলতপূর্ণ আমল। এর উসীলায় বান্দা-বান্দি ও উম্মত ইহকালে সর্বপ্রকার মুছিবত থেকে নাজাত লাভ করবে এবং পরকালে জাহান্নাম থেকে নাজাত লাভ করে জান্নাত লাভ করবে। তাই প্রত্যেক বান্দা-বান্দি ও উম্মতের জন্য দায়িত্ব কর্তব্য হলো- উল্লিখিত আমলগুলো করে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ রেযামন্দি হাছিলের কোশেশ করা।

আশূরার মাহাত্ম্য ও সংশ্লিষ্ট বিশেষ ঘটনাসমূহ

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, বারোটি মাসের মধ্যে চারটি হারাম বা সম্মানিত মাস। তন্মধ্যে ‘মুহররমুল হারাম’ হচ্ছে অন্যতম তাৎপর্য ও ফযীলতপূর্ণ মাস। আগত মাসটিই ‘মুহররমুল হারাম’ যা সকলের জন্যই রহমত, বরকত, ছাকীনা ও মাগফিরাত-এর মাস। তাই সকলের জন্যই দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে- মুহররমুল হারাম মাসে বেশি বেশি ইস্তিগফার করে মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ রেযামন্দি হাছিলের কোশেশ করা।