নোটিশ

মহিলা সংশ্লিষ্ট মাসয়ালা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মহিলা সংশ্লিষ্ট মাসয়ালা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৩০ জুন, ২০১৩

মহিলাদের জামায়াতের জন্য মসজিদে যাওয়া মাকরূহ তাহরীমী


আমাদের সমাজের কিছু নামধারী তথাকথিত ইসলামী চিন্তাবিদ হিসাবে পরিচয় দানকারী ব্যক্তিবর্গ নিজেদেরকে সুন্নী অর্থাৎ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী দাবী করা সত্বেও ব্যক্তি তথা দুনিয়াবী স্বার্থ সিদ্ধির লক্ষে কুরআন শরীফ-এর কয়েকটি আয়াত শরীফ ও কয়েকটি হাদীছ শরীফ-এর ভুল, মনগড়া বানোয়াট, বিভ্রান্তিমূলক  অপব্যাখ্যা  করে  সরলপ্রান  মুসলমানদের   মধ্যে ফিৎনার সৃষ্টি করছে এবং মসজিদে পুরুষের সাথে সাথে মহিলাদের জামায়াত কায়েম করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা আমাদের হানাফী মাযহাব মুতাবিক সম্পূর্ণ মাকরূহ তাহরীমী। সুতরাং সরলপ্রাণ মুসলমানদেরকে উক্ত বিভ্রান্তিমূলক বানোয়াটি ও মাকরূহ তাহরীমী থেকে ফিরিয়ে এনে সহীহ ও হক্ব মত, হক্ব পথ প্রদর্শনের লক্ষ্যে  এ ফতওয়া প্রকাশের প্রচেষ্টা। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ্ শরীফ-এ ইরশাদ করেনতোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ কর। আর ইসলাম সর্বোতভাবেই নিন্মোক্ত চারটি জিনিসের মধ্যে সীমাবদ্ধ, যে গুলোর বাইরে ইসলামে কোন বিষয়ই গ্রহণযোগ্য নয়। আর তা হলো-
, যেমন কিতাবে উল্লেখ করা হয়শরীয়তের দলীল মোট চারটি (১) কুরআন শরীফ (২) হাদীছ শরীফ (৩) ইজমা ও (৪) কিয়াস। 

সোমবার, ৬ মে, ২০১৩

"বিনতু রসূলিল্লাহ, শাবীহাতু রসূলিল্লাহ, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মর্যাদা-মর্তবা, শান-শুয়ূনাত এবং খুছূছিয়াত মুবারক (৩) "


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি ঈমানদার মহিলা উনাদেরকে বলুন, উনারা যেন উনাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখেন এবং উনাদের ইজ্জত-আবরু বা চরিত্র যেন হিফাজত করেন এবং উনাদের সৌন্দর্য যেন বাইরে প্রকাশ না করেন।
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার পরিপূর্ণ মিছদাক ও মহান আদর্শ ছিলেন-
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম।
কাজেই, উনার মহান আদর্শ মুবারক অনুসরণ করে যে সমস্ত মহিলা শরয়ী পর্দা এবং অন্যান্য আমল করার কোশেশ করবে, তারা উনার অনুসরণকারিনী হবে এবং জান্নাতের নিয়ামত লাভে ধন্য হবে।

বুধবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১২

" খাছভাবে মুসলমান মহিলাদের আর আমভাবে পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, প্রতি ক্ষেত্রে হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি পরিপূর্ণ হুসনে যন রাখা এবং প্রতিক্ষেত্রে উনাদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা। "


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন,হে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহলিয়া অর্থাৎ হযরত উম্মুল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! আপনারা অন্য নারীদের মতো নন।
হযরত উম্মাহাতুল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল শান-মান ও মর্যাদা-মর্তবার অধিকারী।
তাই খাছভাবে মুসলমান মহিলাদের আর আমভাবে পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে,
প্রতি ক্ষেত্রে হযরত উম্মুল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি পরিপূর্ণ হুসনে যন রাখা এবং প্রতিক্ষেত্রে উনাদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা।
অনুরূপভাবে বর্তমানে যে মহিলা হযরত উম্মুল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে উত্তমভাবে অনুসরণ-অনুকরণ করেন উনাকেও অনুসরণ-অনুকরণ করা।

মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১১

ইসলামের দৃষ্টিতে নারী নেতৃত্ব নাজায়িয ও হারাম



যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আযম, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেছেন, “ইসলামে নারী নেতৃত্বের ব্যাপারে নিষেধ নেই।এটা ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ছূদের ফতওয়া। রাজাকার ধর্মব্যবসায়ী মাওলানারা ক্ষমতার লোভে আজ নারী নেতৃত্ব জায়িয করেছে।

মুজাদ্দিদে আযম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেন, আজ যারা ইসলামের নামে নারী নেতৃত্ব জায়িয করছে তাদের অধিকাংশই রাজাকার। তারা সবাই ধর্মব্যবসায়ী। ৭১-এ এরাই নারীর ইজ্জত লুণ্ঠন করেছে। আবার আজকে এরাই ক্ষমতার জন্য নারী নেতৃত্ব জায়িয করেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১১

মহিলাদের কতিপয় সুন্নতী পোশাক ও ব্যবহৃত সামগ্রীর বর্ণনা


لقد كان لكم فى رسول الله اسوة حسنة
অর্থ: “আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ।” (সূরা আহযাব : আয়াত শরীফ ২১)

আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ করেন-
من تمسك بسنتى عند فساد امتى فله اجر مأة شهيد
অর্থ: “যে ব্যক্তি আমার উম্মতের ফিতনা-ফাসাদের যুগে একটিমাত্র সুন্নতকে আঁকড়ে ধরবে সে একশত শহীদের ছওয়াব পাবে।” (মিশকাত)

সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১

শরীয়তের ফায়ছালা হলো- মহিলাদের জন্য জুমুয়া, ঈদ, তারাবীহ, পাঁচ ওয়াক্ত নামাযসহ যে কোন নামাযের জামায়াতে উপস্থিত হওয়া আম ফতওয়া মতে মাকরূহ তাহরীমী বা হারাম; আর খাছ ফতওয়া মতে কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, হে মহিলারা! তোমরা নিজ ঘরে অবস্থান কর, অর্থাৎ পর্দায় থাক। হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, মহিলাদের জন্য নামাযের উত্তম স্থান হচ্ছে নিজ গৃহের গোপন প্রকোষ্ঠ। শরীয়ত মহিলাদের জন্য যেরূপ জুমুয়া ও ঈদের নামায আবশ্যকীয় করেনি তদ্রুপ জুমুয়া, ঈদ, পাঁচ ওয়াক্ত ও তারাবীহ নামাযের জামায়াতে শরীক হওয়ার নির্দেশও দেয়নি। বরং শরীয়তের ফায়ছালা হলো- মহিলাদের জন্য জুমুয়া, ঈদ, তারাবীহ, পাঁচ ওয়াক্ত নামাযসহ যে কোন নামাযের জামায়াতে উপস্থিত হওয়া আম ফতওয়া মতে মাকরূহ তাহরীমী বা হারাম; আর খাছ ফতওয়া মতে কুফরী।

মহিলাদের যে কোন নামাযের জামায়াতের জন্য মসজিদ বা ঈদগাহে যাওয়ার অর্থ হল ইজমায়ে আযীমতকে অস্বীকার ও অবজ্ঞা করা, যা কাট্টা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, একমাত্র কাফিররাই হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের বিরোধিতা করে। বিশিষ্ট ছাহাবী আমীরুল মুমিনীন হযরত উমর ইবনুল খত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি মহিলাদের জামায়াত নিষিদ্ধ করেন। আর উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনিসহ সকল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা তা সমর্থন করেন। যা অস্বীকার ও অমান্য করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। তাই শরীয়তের দৃষ্টিতে মহিলাদের পাঁচ ওয়াক্ত, জুমুয়া, ঈদাইন, তারাবীহসহ সর্বপ্রকার জামায়াতের জন্য মসজিদ বা ঈদগাহে যাওয়া হারাম ও কুফরী।