কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে,
‘তিনি মহান আল্লাহ পাক যিনি উনার রসূল হুযূর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হিদায়েত ও সত্য দ্বীনসহ পাঠিয়েছেন অতীতের ওহী
দ্বারা নাযিলকৃত সমস্ত দ্বীন এবং অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মানবরচিত সমস্ত মতবাদকে রহিত করে দিয়ে। এক্ষেত্রে সাক্ষী হিসেবে
মহান আল্লাহ পাক তিনিই যথেষ্ট।’ সুবহানাল্লাহ!
দ্বীন ইসলাম তথা কুরআন শরীফ
ও সুন্নাহ শরীফ-এর পরিপূর্ণ বিধান আসার পর অন্য ধর্ম ও মতবাদের নিয়মনীতি গ্রহণ করা
জায়িয নেই। কেউ যদি তা গ্রহণ করে,
সে ঈমান ও ইসলাম থেকে খারিজ হবে এবং কঠিন শাস্তির
সম্মুখীন হবে।
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ,
যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম
তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পূর্ববর্তী
হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালামগণ উনাদের প্রতি নাযিলকৃত তিনখানা কিতাব-তাওরাত শরীফ,
যাবূর শরীফ, ইন্জীল শরীফ এবং একশ’খানা ছহীফা শরীফ-এর হুকুম
এবং পূর্ববর্তী, মধ্যবর্তী বা বর্তমান ও পরবর্তী
মানবরচিত সকল মতবাদ বাতিল ঘোষণা করে উনার যিনি হাবীব, যিনি কুল-কায়িনাতের নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হিদায়েতকারী,
সাক্ষ্য দানকারী, সতর্ককারী, সুসংবাদ দানকারী হিসেবে
দীন ইসলাম দিয়ে, কুরআন শরীফ দিয়ে, হাদীছ শরীফ দিয়ে যমীনে পাঠিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!