নোটিশ

ফরয-ওয়াজিব লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফরয-ওয়াজিব লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৬ মে, ২০১৩

"বিনতু রসূলিল্লাহ, শাবীহাতু রসূলিল্লাহ, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মর্যাদা-মর্তবা, শান-শুয়ূনাত এবং খুছূছিয়াত মুবারক (৩) "


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি ঈমানদার মহিলা উনাদেরকে বলুন, উনারা যেন উনাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখেন এবং উনাদের ইজ্জত-আবরু বা চরিত্র যেন হিফাজত করেন এবং উনাদের সৌন্দর্য যেন বাইরে প্রকাশ না করেন।
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার পরিপূর্ণ মিছদাক ও মহান আদর্শ ছিলেন-
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম।
কাজেই, উনার মহান আদর্শ মুবারক অনুসরণ করে যে সমস্ত মহিলা শরয়ী পর্দা এবং অন্যান্য আমল করার কোশেশ করবে, তারা উনার অনুসরণকারিনী হবে এবং জান্নাতের নিয়ামত লাভে ধন্য হবে।

শুক্রবার, ১২ এপ্রিল, ২০১৩

রবিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১২

তাবলীগের অর্থ ও প্রকার

[মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ৩৫ তম সংখ্যা (জুলাই ১৯৯৬ ঈসায়ী) থেকে সংগৃহীত ]

১) তাবলীগের অর্থ ও প্রকার
২) মুবাল্লিগে আম ও তার হিদায়েতের ক্ষেত্র

বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১২

|| সঠিক স্থানে যাকাত দেয়া ফরয এবং যাকাত কবুল হওয়ার কারণ। যাকাত দেয়ার উত্তম স্থান হলো- ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’ ||


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন,তোমরা নেকী ও পরহিযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য-সহযোগিতা করো। পাপ ও নাফরমানির মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতা করোনা।
সঠিক স্থানে যাকাত দেয়া ফরয এবং যাকাত কবুল হওয়ার কারণ।
যাকাত দেয়ার উত্তম স্থান হলো- মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা
ইসলামের নামে রাজনৈতিক ফায়দা হাছিলকারী, সন্ত্রাসবাদী, মৌলবাদী উলামায়ে সূ বা ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসায় যাকাত দিলে যাকাত আদায় হবে না।
কারণ এদেরকে যাকাত দেয়ার অর্থ হলো- সন্ত্রাসবাদ, মৌলবাদ ও কুফরী মতবাদ বিস্তারে সাহায্য সহযোগিতা করা; যা শরীয়তের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণই হারাম ও কুফরী।

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আযম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইসলামে গণতন্ত্র, মৌলবাদ, সন্ত্রাসবাদ হারাম। ইসলামের নামে ব্যবসা করা হারাম। ইসলামের নামে গণতান্ত্রিক দল করা হারাম। ইসলামের নামে নির্বাচন করা হারাম। ইসলামের নামে ভোট চাওয়া হারাম।

|| সাহরী, ইফতার ও নামাযের সময়সূচি প্রকাশ ও প্রচার করার সময় পূর্ণ সাবধানতা অবলম্বন করা ফরয-ওয়াজিব ||


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে প্রমাণ উপস্থাপন করো।
হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, কোনো ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে তাই বলে বা প্রচার করে বেড়ায়।
সাহরী, ইফতার ও নামাযের সময়সূচি প্রকাশ ও প্রচার করার সময় পূর্ণ সাবধানতা অবলম্বন করা ফরয-ওয়াজিব।
সাহরী ও ইফতারির সঠিক সময় জানতে গবেষণা কেন্দ্র- মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফথেকে প্রকাশিত ক্যালেন্ডারটি সংগ্রহ ও অনুসরণ করুন।

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আযম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আমাদের দেশের শাসকশ্রেণীর ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং উলামায়ে সূদের অপব্যাখ্যার কারণে দেশের সাধারণ মানুষ ইসলামের সঠিক শিক্ষা এবং তা পালন থেকে অনেক দূরে।

রবিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১২

"দুনিয়ার ধোঁকা থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুসলমানের জন্যই ফরয"


দুনিয়ার ধোঁকা থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুসলমানের জন্যই ফরয

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহযামানার লক্ষ্যস্থল আওলাদে রসূলযামানার ইমাম ও মুজতাহিদমুজাদ্দিদে আযমইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বতকুতুবুল আলমআওলাদে রসূলসাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম এক বিবৃতিতে কথা বলেছেন

মুজাদ্দিদে আযমইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি হাদীছ শরীফের উদ্ধৃতি উল্লেখ করে বলেন, আল্লাহ পাক-এর রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, দুনিয়া ধোঁকাপূর্ণ স্থান

রবিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১২

আন নাযীরু, আন নাজমুছ ছাক্বিবু, আন নূরুম মুজাসসামু, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর দিনই হচ্ছে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদু ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদু ঈদে আকবর এবং তা পালন করা জিন ইনসান তো অবশ্যই বরং কুল কায়িনাতের জন্য ফরয


সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আযম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার মুবারক তাজদীদ আন নাযীরু, আন নাজমুছ ছাক্বিবু, আন নূরুম মুজাসসামু, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর দিনই হচ্ছে সাইয়্যিদুল আইয়াদ, সাইয়্যিদু ঈদে আযম, সাইয়্যিদু ঈদে আকবর এবং তা পালন করা জিন ইনসান তো অবশ্যই বরং কুল কায়িনাতের জন্য ফরয আর এই মুবারক তাজদীদই হচ্ছে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মুবারক তাজদীদ।


محمد رسول ا لله
অর্থ: হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল। (সূরা ফাতহ : আয়াত শরীফ ২৯)

রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১১

হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ বা শায়খ-উনাদের ছোহবতে যাওয়া ও উনাদের কাছে বাইয়াত হয়ে উনাদের ক্বল্‌‌বের বরকতময় নূর দ্বারা নিজ ক্বল্‌বকে নূরানী বা ইছলাহ করা সকল মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরযে আইন


ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস্‌‌ সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে যম, আওলাদুর রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী এক ক্বওল শরীফ- একথা বলেন

মুজাদ্দিদে যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেন, মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “ ব্যক্তি সফলতা লাভ করেছে যে নিজেকে ইছলাহ বা পরিশুদ্ধ করেছে
  
আর হাদীছ শরীফ- ইরশাদ হয়েছে, আদম সন্তানের শরীরে এক টুকরা গোশত আছে, যেটা পরিশুদ্ধ হলে গোটা শরীর পরিশুদ্ধ হয়ে যায় আর সে গোশতের টুকরা অপরিশুদ্ধ হলে গোটা শরীরই অপরিশুদ্ধ হয়ে যায়; সাবধান! ওই গোশতের টুকরা হচ্ছে, ‘ক্বলব

বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১১

মীলাদ শরীফ পাঠ করা ও ক্বিয়াম করা খাছ সুন্নত, বিদয়াত বলা কাট্টা কুফরী

মীলাদ শরীফ-এর মজলিস স্বয়ং আল্লাহ পাক-এর হাবীব, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের যামানাতেই ছিলো। তাই মীলাদ শরীফ পাঠ করা ক্বিয়াম করা খাছ সুন্নত, বিদয়াত বলা কাট্টা কুফরী

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে যম, ইমামুল ইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী রাজারবাগ শরীফ- এক আলোচনা মজলিসে এসব কথা বলেন

বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১১

জামাতী, খারিজী, ওহাবী ও সন্ত্রাসী মৌলবাদী তথা ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাতে কুরবানীর চামড়া দিলে তাতে কুরবানী আদায় হবে না।


কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, তোমরা নেক কাজে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদ কাজে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না।
আর হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, যে কেউ একটা বদ কাজের সূচনা করলো যতজন তাতে শরীক হলো তাদের সবার গুনাহ যে বদ কাজের সূচনা করবে তার উপর গিয়ে পড়বে।
তাই কোনো জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনকে, ধর্মব্যবসায়ী তথা সন্ত্রাসী তৈরিকারী মাদরাসাগুলোতে এবং ভয়ে বা হাতে রাখার উদ্দেশ্যে মাস্তান, গুণ্ডা ও হিরোইনখোরদের কুরবানীর চামড়া দিলে কুরবানী আদায় হবে না।
কুরবানীর চামড়া দেয়ার উত্তম স্থান হলো- মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা

ফিতরা আদায়ের হুকুম-আহকাম


ঈদুল ফিতর-এর দিন মালিকে নিছাব-এর উপর শরীয়ত নির্ধারিত পরিমাপে ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। প্রত্যেক মু’মিন-মুসলমানের দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে  ঈদুল ফিতর-এর দিন নামাযের পূর্বেই ফিতরা আদায় করা। কেননা নামাযের পূর্বে আদায় করাই খাছ সুন্নত এবং অধিক ফযীলতের কারণ। ছদাক্বাতুল ফিতর আদায় না করলে  রোযাসমূহ আসমান ও যমীনের মাঝখানে ঝুলে থাকে । রোযার মধ্যে কোন ত্রুটি-বিচ্যুতি হলে ছদাক্বাতুল ফিতর আদায়ের দ্বারা তা দূর হয়ে যায়।

ফিতরার পরিমাণঃ
যাদের উপর ছদাক্বাতুল ফিতর ওয়াজিব অর্থাৎ ঈদের দিন ছুবহি ছাদিক্বের সময় যাদের নিকট নিছাব পরিমাণ (সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা এর সমপরিমাণ মূল্য) সম্পদ থাকে

যাকাতের আহকাম ও মাসায়িল


ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের তৃতীয় হচ্ছে যাকাত। যাকাত আর্থিক ইবাদত সমূহের মধ্যে অন্যতম। প্রত্যেক ধনী মুসলমানের উপর যাকাত আদায় করা ফরয। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, 
خذ من اموالهم صدقة تطهرهم وتزكيهم بها وصل عليهم ان صلوتك سكن لهم.

অর্থ: “আপনি তাদের সম্পদ হতে ছদক্বা (যাকাত) গ্রহণ করবেন। এর দ্বারা আপনি তাদেরকে পবিত্র ও ইছ্লাহ করবেন। আপনি তাদের জন্য দুআ করুন। নিশ্চয়ই আপনার দুআ তাদের জন্য পরম প্রশান্তির কারণ।” (সূরা তওবা-১০৩)


যাকাত না দেয়ার পরিণতিঃ
যাকাত আদায় না করার পরিণতি সম্পর্কে হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “হযরত উমর ইবনুল খত্ত্বাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, স্থলে এবং পানিতে যেখানেই কোন সম্পদ ধ্বংস হয়, তা হয় কেবল যাকাত আদায় না করার কারণে।” (তবারানী শরীফ) 

বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১১

যারা কুরবানী করবে তাদের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো- ওয়াজিব কুরবানী আদায় করার পর যদি সম্ভব হয় নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উনার নাম মুবারক-এ কুরবানী করা। যা কুরবানীদাতার কুরবানী কবুল হওয়ার একটি অন্যতম উসীলা।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং উনার সন্তুষ্টি হাছিলের জন্য উসীলা গ্রহণ করো। আর হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে ওয়াছিয়ত করেছেন আমি যেনো উনার পক্ষ থেকে কুরবানী করি। অতএব, যাদের পক্ষে সম্ভব তারা যেনো অবশ্যই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উনার নাম মুবারক-এ কুরবানী করে; যা কুরবানীদাতার কুরবানী কবুল হওয়ার অন্যতম উসীলা। পাশাপাশি মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি লাভেরও উসীলা হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই, ২০১১

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর মহিমান্বিত সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদের দিন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা সকলের জন্যেই ফরযে আইন তো অবশ্যই ফরযে আকবারেরও অন্তর্ভুক্ত

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর মহিমান্বিত দিনটিই সর্বশ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে মহান ও সবচেয়ে বড় ঈদের দিন। এ ঈদ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা সকলের জন্যেই ফরযে আইন তো অবশ্যই ফরযে আকবারেরও অন্তর্ভুক্ত
الحمد لله رب العلمين والصلاة والسلام على سيد الانبياء والـمرسلين وعلى ازواجه الـمطهرات واهل بيته الـمطهرين واصحابه الـمرضيين واله الـمكرمين و اولاده الشيخ الامام الـمجدد الاعظم واهل بيته الـمعظمين.

ইমাম-মুজতাহিদ ও ফক্বীহগণের দৃষ্টিতে মাযহাব গ্রহণ করা ফরয-ওয়াজিব

মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ১৫৩ তম সংখ্যা (মে ২০০৬ ঈসায়ী) থেকে সংগৃহীত



হাদীছ শরীফের দৃষ্টিতে মাযহাব গ্রহণ করা ফরয-ওয়াজিব

মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ১৫২ তম সংখ্যা (এপ্রিল ২০০৬ ঈসায়ী) থেকে সংগৃহীত




কুরআন শরীফের দৃষ্টিতে মাযহাব গ্রহণ করা ফরয-ওয়াজিব

মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ১৫১ তম সংখ্যা (মার্চ ২০০৬ ঈসায়ী) থেকে সংগৃহীত




বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০১১

মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম করা সুন্নতে উম্মত ॥ অবজ্ঞা করা কুফরী

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, “মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম করা সুন্নতে উম্মত, অবজ্ঞা করা কুফরী

মুজাদ্দিদে যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মীলাদ শরীফ মূলতঃ তিনটি শব্দের সমষ্টি যেমন-(মীলাদ) অর্থাৎ জন্মের সময়, (মাওলিদ) অর্থাৎ জন্মের স্থান এবং (মাওলুদ) অর্থাৎ সদ্য প্রসূত সন্তান অতএব সব মিলিয়ে মীলাদ শরীফের অর্থ দাঁড়ায়-সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সানা-ছীফত জন্ম বৃত্তান্ত আলোচনা করা তাঁর প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করা

শরীয়তের দৃষ্টিতে পুরুষ-মহিলা উভয়ের জন্যই হক্বানী-রব্বানী শায়খ বা মুর্শিদ উনার নিকট বাইয়াত হওয়া ফরযে আইন

যামানার ইমাম মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আযম, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, কোনো কোনো জাহিল বলে থাকে যে, কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ পড়লেই হয়; হক্কানী রব্বানী শায়খ বা মুর্শিদ উনাদের নিকট বাইয়াত হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই মূলত তাদের বক্তব্য সম্পূর্ণরূপেই কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ক্বিয়াসের খিলাফ কেননা, হক্কানী-রব্বানী শায়খ বা মুর্শিদ উনাদের নিকট বাইয়াত হওয়া ফরয এটা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ দ্বারাই অকাট্যভাবে প্রমাণিত

সোমবার, ৭ মার্চ, ২০১১

প্রত্যেক মুসলমানের জন্য মাযহাবের অনুসরণ করা অপরিহার্য তথা ফরয-ওয়াজিব

মাযহাবের আভিধানিক অর্থ ‘চলার পথ’।
শরীয়তের পরিভাষায় কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ তথা ফিক্বাহর অনুসরণ করতে গিয়ে যে যেই ইমাম উনার তাকলীদ বা অনুসরণ করে সে সেই ইমাম উনার মাযহাবের অন্তর্ভুক্ত। মূলত প্রত্যেক ছাহাবী এবং প্রত্যেক ইমাম-মুজতাহিদ উনারা প্রত্যেকেই একটি করে মাযহাব ছিলেন। তবে তৃতীয় হিজরীতে ইজমা হয় যে, হানাফী, মালিকী, শাফিয়ী ও হাম্বলী- এ চারটি মাযহাবের যেকোন একটি অনুসরণ করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরয।