নোটিশ

ফযীলতপূর্ণ দিবস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফযীলতপূর্ণ দিবস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০১৪

পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শরীয়তে ফযীলতপূর্ণ‌ বিশেষ দিবস ও বার্ষিকী পালনের প্রথা বন্ধ করা হয় নি


ধর্মব্যবসায়ী, আশাদ্দুদ দরজার উলামায়ে সূবিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলে বলেছে, ‘নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছাড়াও ইসলামে কম-বেশি সোয়া লাখের মত নবী-রসূল, সোয়া লাখের বেশি ছাহাবী, লক্ষ লক্ষ গাওছ, কুতুব আওলিয়ার জামাত ছিলেন। তাহলে এতজনের বার্ষিকী কিভাবে পালন সম্ভব। তাই ইসলাম বার্ষিকী পালনের প্রথা বন্ধ করে দিয়েছে।নাঊযুবিল্লাহ!

এর জাওয়াব হলো:- জাহিল, গুমরাহ, ভ- উলামায়ে সূদের উক্ত বক্তব্য ডাহা মিথ্যা, মনগড়া, দলীলবিহীন এবং তা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর মুখালিফ হওয়ার কারণে কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

কেননা হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে, যখন নূরে নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজরত করে মদীনা শরীফ-এ তাশরীফ নিলেন, সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পেলেন ইহুদী সম্প্রদায় আশূরার দিন রোযা রাখছে। তাদেরকে রোযা রাখতে দেখে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে ইহুদী সম্প্রদায়! তোমরা এ দিনে কেন রোযা রাখছো?’ তারা বলল, এই দিনে আমাদের যিনি নবী ও রসূল হযরত মূসা আলাইহিস সালাম উনার প্রতি আল্লাহ পাক তাওরাত শরীফ নাযিল করেছিলেন

হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম ও হযরত আওলিয়ায়ে কিরামগ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের বিলাদত দিবস পালন করা জায়িজ


ধর্মব্যবসায়ী, আশাদ্দুদ দরজার জাহিল উলামায়ে সূরা এবং টিভি চ্যানেলে বলেছে, ‘ইসলামে যদি নবী-রসূল ও আওলিয়ায়ে কিরামগণের জন্মবার্ষিকী পালনের দ্বার উমুক্ত করে, তাহলে মুসলমানরা কি সারা বৎসর বার্ষিকী পালন ব্যতীত অন্য কোন কাজের জন্য এক মুহূর্তও সুযোগ পেত?’ নাঊযুবিল্লাহ!

এর জাওয়াব হলো- জাহিল, গুমরাহ, ভন্ড উলামায়ে সূদের উক্ত বক্তব্য মনগড়া, দলীলবিহীন এবং তা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর মুখালিফ হওয়ার কারণে কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। কারণ দ্বীন ইসলামে নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম ও আওলিয়ায়ে কিরামগণের বিলাদত শরীফ ও বিছাল শরীফ-এর দিন উদযাপনের দ্বার উন্মুক্ত করেছে। যেমন এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে-
عن عبيد بن السباق مرسلا وعن ابن عباس رضى الله تعالى عنه متصلا قالا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فى جمعة من الجمع يامعشر المسلمين ان هذا يوم جعله الله عيدا فاغسلوا ومن كان عنده طيب فلا يضره ان يمس منه وعليكم بالسواك.
অর্থ: হযরত উবায়িদ বিন সাব্বাক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু মুরসালসূত্রে বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক জুমুআর দিনে বলেন, হে মুসলমান সম্প্রদায়! এটি এমন একটি দিন যে দিনটিকে আল্লাহ পাক ঈদস্বরূপ নির্ধারণ করেছেন।সুবহানাল্লাহ! (ইবনে মাজাহ, মুয়াত্তা মালিক, মিশকাত শরীফ)

শনিবার, ২৯ জুন, ২০১৩

সুমহান বরকতময় ১৫ শা’বান শরীফ- ইমামুছ ছানী মিন আহলে বাইতে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস।


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ইবরাহীম শরীফ উনার ৫ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলোকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।
ঐতিহাসিক সুমহান বরকতময় ১৫ শাবান শরীফ- ইমামুছ ছানী মিন আহলে বাইতে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস।
যা কুল-কায়িনাতের সকলের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ বা খুশির দিন।
এ উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ অর্থাৎ পবিত্র ঈছালে ছওয়াব উনার মাহফিল করে উনার পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক আলোচনা করে সর্বাত্মক ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।
আর সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য ছিলো- এ পবিত্র ঈদ বা খুশির দিবসটি পালনের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণসহ এ পবিত্র দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটির ব্যবস্থা করা।

সোমবার, ২৭ মে, ২০১৩

"পবিত্র ৬ রজবুল হারাম শরীফ- সুলত্বানুল হিন্দ, খাজা গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চীশতি সানজরী আজমীরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছাল শরীফ উনার বরকতময় দিন। "


সুলতানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চিশ্‌তী রহমতুল্লাহি আলাইহি আজীবন কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর উপর পরিপূর্ণ ইস্তিকামত থাকার কারণেই হাবীবুল্লাহলক্বব মুবারক লাভ করেছেন। আর উনার উছীলায় এক কোটিরও বেশি বিধর্মী ঈমান লাভ করেছে; যা মূলতঃ উনার বেমেছাল ঈমানী জযবা ও রূহানী কুওওয়াতেরই প্রতিফলন। মুসলমানদের মাঝে ঈমানী জযবা ও রূহানী কুওওয়াত পয়দা করতে উনার বিছাল শরীফ-এর দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা ও বরকতময় জীবনী বেশি বেশি আলোচনা করা উচিত পাশাপাশি বাংলাদেশসহ সকল মুসলিম দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উনার বরকতময় জীবনী মুবারক সিলেবাসভুক্ত করাও জরুরী।

শনিবার, ২৫ মে, ২০১৩

"পবিত্র ১৩ রজবুল হারাম শরীফ- হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস"



নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমি পবিত্র ইলম উনার শহর আর হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি উনার দরজা।
আজ সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র ১৩ রজবুল হারাম শরীফ।
পবিত্র হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্যতম ইমাম ইমামুল আউওয়াল হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস।
সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার সম্মানার্থে এ বরকতপূর্ণ দিনে পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ এবং দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করে উনার যথাযথ ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করা।
আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব এবং কর্তব্য ছিলো- মাসব্যাপী মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা এবং উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে- ৯৭ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র ইসলাম উনার দেশের সরকার এখনো পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করেনি। সরকারের উচিত এ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়া এবং গুরুত্বের সাথে দেখা।

"সুমহান ১৪ রজব শরীফ- হযরত ইমাম জা’ফর ছাদিক্ব আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস "

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার পবিত্র হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম বা আওলাদ আলাইহিমুস সালামগণ উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি লাভের জন্য।
সুমহান বরকতময় ১৪ রজবুল হারাম।
পবিত্র হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ষষ্ঠ ইমাম, আওলাদে রসূল হযরত ইমাম জাফর ছাদিক্ব আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ উনার বরকতপূর্ণ দিন।
হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বতই হচ্ছে পবিত্র ঈমান। উনাদের প্রতি তাযীম-তাকরীম প্রদর্শন করা ও উনাদের খিদমতের আঞ্জাম দেয়া ফরয-ওয়াজিব।
যা বান্দা-বান্দী ও উম্মতগণ উনাদের জন্য ইহকাল ও পরকালে বেমেছাল কামিয়াবী ও নাজাত লাভের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উসীলা।

সোমবার, ৬ মে, ২০১৩

পবিত্র ২০ জুমাদাল উখরা শরীফ- হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উনার মুবারক দিন


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি মহিলাগণের সাইয়্যিদা।
তিনি পবিত্র জুমাদাল উখরা মাস উনার ২০ তারিখ পবিত্র বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেন।
তাই সকলের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, উনাকে যথাযথ মুহব্বত ও পরিপূর্ণ অনুসরণ-অনুকরণ করা এবং সর্বত্র উনার বেশি বেশি আলোচনা করা।
আর সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- বাংলাদেশের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসের পাঠ্যপুস্তকে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক অন্তর্ভুক্ত করা।
পাশাপাশি উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে মাসব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা এবং ২০শে জুমাদাল উখরায় সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণা করা।

শনিবার, ৪ মে, ২০১৩

২২ জুমাদাল উখরা হচ্ছে আফযালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছিদ্দীক্বে আকবর হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ উনার বরকতময় দিন


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনার মুহব্বতই হচ্ছে ঈমান।
আজ সুমহান ঐতিহাসিক ২২ জুমাদাল উখরা।
আফযালুন নাস বাদাল আম্বিয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছিদ্দীক্বে আকবর হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ উনার বরকতময় দিন।
সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার সম্মানার্থে এ বরকতপূর্ণ দিনে পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ এবং দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করে উনার যথাযথ ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করা।
আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব এবং কর্তব্য ছিলো- মাসব্যাপী মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা এবং উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে- ৯৭ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র ইসলাম উনার দেশের সরকার এখনো পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করেনি। সরকারের উচিত এ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়া এবং গুরুত্বের সাথে দেখা।

বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১২

" বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। ইসলামী শরীয়তের ফতওয়া মুতাবিক বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা, বাল্যবিবাহকে কটাক্ষ করা এবং বাল্যবিবাহ রোধে আইন করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। "


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা আহযাব-এর ৩০ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ইরশাদ করেন,হে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহলিয়াগণ অর্থাৎ হযরত উম্মুল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! আপনারা অন্য নারীদের মতো নন।
আজ বেমেছাল সুমহান ফযীলতযুক্ত ২১শে শাওওয়াল শরীফ।
উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র আক্বদ বা নিকাহ মুবারক দিবস।
ছয় বৎসর বয়স মুবারকে উনার আক্বদ বা নিকাহ সম্পন্ন হয়। যা বাল্যবিবাহ হিসেবে সাব্যস্ত। আর একারণেই বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত।
তাই সকল মুসলমান মহিলাদের জন্য ফরয ওয়াজিব হচ্ছে- প্রতি ক্ষেত্রে উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে অনুসরণ-অনুকরণ করা।
অনুরূপভাবে বর্তমানে যে মহিলা উনাকে উত্তমভাবে অনুসরণ-অনুকরণ করেন উনাকে অনুসরণ-অনুকরণ করা।

শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১১

‘লাইলাতুর রগায়িব’-এর মর্যাদা শবে বরাত, শবে ক্বদরের চেয়েও বেশি।”



যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস্‌ সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, মুর্শিদে আযম, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেন, লাইলাতুর রগায়িবহচ্ছে রজব মাসের পহেলা জুমুয়ার রাত্রি। এ পবিত্র রাত্রিতে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর আম্মা হযরত আমিনা আলাইহাস্‌ সালাম-এর মুবারক রেহেম শরীফ-এ তাশরীফ নেন। লাইলাতুর রগায়িব’-এর মর্যাদা শবে বরাত, শবে ক্বদরের চেয়েও বেশি।

বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১১

ঈদুল ফিতর-এর রাত্রির আমল


হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, পাঁচ মহিমান্বিত রাত্রিতে বিশেষভাবে দুআ কবুল হয়ে থাকে। তার মধ্যে একটি রাত্রি হচ্ছে ঈদুল ফিতর-এর রাত্রি অর্থাৎ আমাদের দেশে যে রাত চাঁদ রাত হিসেবে পরিচিত সেই রাত্রি। কাজেই এই রাত্রিতে সকলের উচিত বিশেষভাবে তওবা-ইস্তিগফার করা, ইবাদত বন্দেগী করা যেরূপ শবে বরাত, শবে ক্বদরে করা হয়ে থাকে।

ঈদুল ফিতর-এর হুকুম-আহকামঃ
ঈদ অর্থ খুশি, আনন্দ। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ-এর এক মাস রোযার পর শাওওয়াল মাসের প্রথম তারিখ কুল-মুসলিমের জন্য খুশির দিন হিসেবে আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিয়া করেছেন। 

পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর এর ফযীলত ও সংশ্লিষ্ট ইবাদত-বন্দেগী


পবিত্র লাইলাতুল ক্বদরঃ
‘লাইলাতুন’ শব্দের অর্থ হচ্ছে রাত বা রজনী। আর ‘ক্বদর’ শব্দের অর্থ হলো মহিমান্বিত বা মর্যাদামন্ডিত। এ রাতটি আমাদের এ উপমহাদেশে ‘শবে ক্বদর’ হিসেবে মশহূর। এ রাতটির ফযীলত সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ ফরমান: 
ليلة القدر خير من الف شهر.

অর্থ: “লাইলাতুল ক্বদর হচ্ছে হাজার মাস থেকে উত্তম।” সুবহানাল্লাহ! (সুরা ক্বদর : আয়াত শরীফ ২) 

হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে:
عن عائشة عليها السلام قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم تحروا ليلة القدر فى الوتر من العشر الاواخر من رمضان.

অর্থ: উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা পবিত্র রমাদ্বান শরীফ-এর শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতে শবে ক্বদর বা লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করো। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)