নোটিশ

ইবাদত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইবাদত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১২

" পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসের ১ম দশ দিনের আমল ও তার ফযীলত "


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম দশ দিনের কসম।
পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম দশদিন অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ-
একদিনের রোযা এক বৎসরের রোযার সমান; এক রাত্রের ইবাদত পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর উনার ইবাদতের সমান; ঈদ উনার রাত্রিটিও দোয়া কবুলের রাত।
তাই প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলাদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে-
পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার হক্ব আদায় করা, চুল-নখ কাটা থেকে বিরত থাকা, রোযা রাখা, রাতে ইবাদত-বন্দেগী করা, দোয়া করা, খাছ করে ঈদ উনার রাতে দোয়া করা আর প্রত্যেক সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য কুরবানী করা

বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১২

'ছলাতুত তাসবীহ' নামাযের ফযীলত ও হুকুম-আহকাম


'সলাতুত তাসবীহ' নামাযের ফযীলতঃ

হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণনা করেন, একদা মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমার পিতা হযরত আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে বললেন, “হে আমার চাচা (হযরত আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)! আমি কী আপনাকে বলে দিব না, আমি কী আপনাকে দান করবো না, আমি কী আপনাকে বলবো না, আমি কী আপনার সাথে করবো না দশটি কাজ? অর্থাৎ শিক্ষা দিব না দশটি তাসবীহ? যখন আপনি তা আমল করবেন, আল্লাহ পাক প্রথম গুনাহ, শেষ গুনাহ, পুরাতন গুনাহ, নতুন গুনাহ, অনিচ্ছাকৃত গুনাহ, ইচ্ছাকৃত গুনাহ, ছোট গুনাহ, বড় গুনাহ, গোপন গুনাহ, প্রকাশ্য গুনাহ ইত্যাদি সকল গুনাহখতা ক্ষমা করে দিবেন। আপনি ছলাতুত তাসবীহ চার রাকায়াত নামায পড়বেন। যদি সম্ভব হয় তবে প্রতিদিন একবার এ নামায আপনি পড়বেন। যদি সম্ভব না হয় তাহলে সপ্তাহে একবার, তাও যদি সম্ভব না হয় তবে বৎসরে একবার, তাও যদি সম্ভব না হয় তবে জীবনে একবার এ নামায আপনি পড়বেন। (আবূ দাউদ, ইবনে মাযাহ, বায়হাক্কী ফী দাওয়াতিল কবীর, তিরমিযী, মিশকাত শরীফ)

শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১১

তরীকার ছবক, পাছ-আনফাছ যিকির এবং ইশা-ফযর বাদ দরূদ শরীফ পাঠের দ্বারা আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনাদের সাথে ক্বলবী নিছবত স্থাপিত হয়



তরীকার ছবক, পাছ-আনফাছ যিকির এবং ইশা-ফযর বাদ দরূদ শরীফ পাঠের দ্বারা আল্লাহ পাক  উনা হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনাদের সাথে ক্বলবী নিছবত স্থাপিত হয়

যামানার ইমাম মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে যম, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, মুহ্ইস সুন্নাহ, আওলাদে রসূল রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী এক ক্বওল শরীফে একথা বলেন

মুজাদ্দিদে যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেন, ইলম অর্জন করা ফরয আল্লাহ পাক কুরআন শরীফে ইরশাদ করেছেন, “আল্লাহ পাক আমাদের ইলম বৃদ্ধি করে দিন আর হাদীছ শরীফে উল্লেখ আছে, আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, “প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ইলম অর্জন করা ফরয অর্থাৎ আমল করতে হলে ইসলাম সম্পর্কে জানতে হবে

বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১১

ঈদুল ফিতর-এর রাত্রির আমল


হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, পাঁচ মহিমান্বিত রাত্রিতে বিশেষভাবে দুআ কবুল হয়ে থাকে। তার মধ্যে একটি রাত্রি হচ্ছে ঈদুল ফিতর-এর রাত্রি অর্থাৎ আমাদের দেশে যে রাত চাঁদ রাত হিসেবে পরিচিত সেই রাত্রি। কাজেই এই রাত্রিতে সকলের উচিত বিশেষভাবে তওবা-ইস্তিগফার করা, ইবাদত বন্দেগী করা যেরূপ শবে বরাত, শবে ক্বদরে করা হয়ে থাকে।

ঈদুল ফিতর-এর হুকুম-আহকামঃ
ঈদ অর্থ খুশি, আনন্দ। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ-এর এক মাস রোযার পর শাওওয়াল মাসের প্রথম তারিখ কুল-মুসলিমের জন্য খুশির দিন হিসেবে আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিয়া করেছেন। 

পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর এর ফযীলত ও সংশ্লিষ্ট ইবাদত-বন্দেগী


পবিত্র লাইলাতুল ক্বদরঃ
‘লাইলাতুন’ শব্দের অর্থ হচ্ছে রাত বা রজনী। আর ‘ক্বদর’ শব্দের অর্থ হলো মহিমান্বিত বা মর্যাদামন্ডিত। এ রাতটি আমাদের এ উপমহাদেশে ‘শবে ক্বদর’ হিসেবে মশহূর। এ রাতটির ফযীলত সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ ফরমান: 
ليلة القدر خير من الف شهر.

অর্থ: “লাইলাতুল ক্বদর হচ্ছে হাজার মাস থেকে উত্তম।” সুবহানাল্লাহ! (সুরা ক্বদর : আয়াত শরীফ ২) 

হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে:
عن عائشة عليها السلام قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم تحروا ليلة القدر فى الوتر من العشر الاواخر من رمضان.

অর্থ: উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা পবিত্র রমাদ্বান শরীফ-এর শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতে শবে ক্বদর বা লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করো। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ) 

শনিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১১

রোযার পরিচয় ও করণীয়


সাধারণত রোযা বলতে ছুবহি ছাদিক্ব থেকে শুরু করে সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত নির্জন অবস্থান ও পানাহার থেকে বিরত থাকাকে বুঝায়। তবে এর সাথে সাথে মিথ্যা, গীবত, চোগলখোরী, ঝগড়া-বিবাদ, মারামারি-কাটাকাটি, গালি-গালাজ, অশ্লীল-অশালীন, ফাসিক্বী ও নাফরমানিমূলক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
কারণ, হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে- আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি রমাদ্বান শরীফ-এ খারাপ কাজ করে, শরাব পান করে, ব্যভিচার করে এমন ব্যক্তি রমাদ্বান শরীফ-এর রোযা রাখলেও তা কবুল হবে না। বরং আল্লাহ পাক উনার ফেরেশতাকুল, আসমানের সব অধিবাসী উনারা পরবর্তী রমাদ্বান শরীফ-এর আগ পর্যন্ত ওই ব্যক্তির উপর লা’নত বর্ষণ করতে থাকেন।” নাঊযুবিল্লাহ! (গুনইয়াতুত ত্বলিবীন)