নোটিশ

তাহাজ্জুদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
তাহাজ্জুদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৯ জুন, ২০১৩

তাহাজ্জুদের নামায জামায়াতের সাথে আদায় করা সম্পূর্ণ মাকরুহ তাহরীমী ও বিদায়াতে সাইয়্যিয়াহ


আজকাল কোন কোন স্থানে তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে পড়তে দেখা যায়। বিশেষ করে রমাদ্বান শরীফ মাসে বেশী দেখা যায়। অথচ আমাদের হানাফী মাযহাবের ফতওয়া অনুযায়ী তাহাজ্জুদ নামায ইমামের সাথে চারজন মুক্তাদীসহ জামায়াতে আদায় করা মাকরূহ তাহরীমী বিদায়াতে সাইয়্যিয়াহ। চাই রমাদ্বান শরীফ মাসে হোক অথবা গায়রে রমাদ্বান শরীফ মাসে হোক, এর উপর মুসলমানদের ইজমা (ঐক্যমত) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

যেমন কিতাবে উল্লেখ করা হয়রমাদ্বান শরীফ মাস ব্যতীত বিতর নামায নফল নামায জামায়াতে পড়ো না কেননা ঘোষণা দিয়ে নফল নামায জামায়াতে পড়া মাকরূহ তাহরীমী এবং এটার উপর মুসলমানদের ইজমা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে(আলজাওহারাতুন নাইয়্যারাহ ,পৃষ্ঠা-১২৮)

কেউ কেউ বলে থাকে উপরোক্ত ইবারতে এবং আরো অনেক ইবারতে রমাদ্বান শরীফ মাস ছাড়া নফল নামায জামায়াতে পড়তে নিষেধ করা হয়েছে। কাজেই কেউ যদি তাহাজ্জুদ নামায রমাদ্বান শরীফ মাসে জামায়াতে পড়ে, তবে মাকরূহ হবে কেন?

তারাবীহ নামায ও তাহাজ্জুদ নামায এর পার্থক্য


বাতিল পন্থীরা রমাদ্বান শরীফ মাসে তারাবীহ নামায আট রাকায়াতের স্বপক্ষে দলীল হিসাবে নিম্নোক্ত জইফ হাদীছ শরীফখানা পেশ করে থাকে যা মূলতঃ তাহাজ্জুদ নামাযকে বুঝানো হয়েছে। হাদীছ শরীফ- ইরশাদ হয়েছে যে, মুহম্মদ ইবনে হুমাইদুর রাযী, ইয়াকুব ইবনে আব্দুল্লাহ উনার থেকে, তিনি ঈসা ইবনে জারিয়া হতে, তিনি হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রমাদ্বান শরীফ মাসে আট রাকায়াত নামায পড়েছেন এবং বিতর নামায আলাদা আদায় করেছেন। (ক্বিয়ামুল লাইল)
নিচে তারাবীহ তাহাজ্জুদ নামায যে একই নামায নয়,  তার প্রমাণ তুলে ধরা হলোঃ

প্রথমতঃ
তারাবীহ তাহাজ্জুদ শব্দের অর্থ দ্বারাই স্পষ্ট প্রমাণিত যে, তারাবীহ তাহাজ্জুদ নামায একই নামায নয়।

) তারাবীহ শব্দের তাহ্ক্বীক্বী অর্থঃ
রমাদ্বান শরীফ মাসে (তারাবীহ নামাযে) প্রতি রাকায়াত পর মুসল্লীদের বিশ্রাম দেওয়াকে তারবীহাতুনবলে। প্রতি রাকায়াত পর মুসল্লীরা বিশ্রাম নেয় বলেই এটাকে তারাবীহ নামায বলে।

বুধবার, ৮ মে, ২০১৩

তাহাজ্জুদ নামায পড়ার নিয়ম ও হুকুম

[মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ২০ তম সংখ্যা (জানুয়ারী ১৯৯৫ ঈসায়ী), ৭তম সংখ্যা (জুলাই-আগস্ট ১৯৯২ ঈসায়ী) ও ১৪তম সংখ্যা (মার্চ‌-মে ১৯৯৪ ঈসায়ী) থেকে সংগৃহীত ]


মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১১

শরীয়তের দৃষ্টিতে তাহাজ্জুদ নামায ইমামের সাথে চারজন মুক্তাদীসহ জামায়াতে আদায় করা মাকরূহ তাহরীমী ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘প্রত্যেক বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহই গুমরাহী; প্রত্যেক গুমরাহ ব্যক্তি জাহান্নামী শরীয়তের দৃষ্টিতে তাহাজ্জুদ নামায ইমামের সাথে চারজন মুক্তাদীসহ জামায়াতে আদায় করা মাকরূহ তাহরীমী বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ। চাই রমাদ্বান শরীফ- হোক অথবা গায়িরে রমাদ্বান শরীফ- হোক এর উপরই ইজমা বা ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কাজেই যারা তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে আদায় করবে তারা বিদয়াতী গুমরাহদের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে