নোটিশ

কুরবানী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কুরবানী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১২

" ওয়াজিব কুরবানী আদায় করার পর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উনার নাম মুবারক-এ কুরবানী করা কুরবানীদাতার কুরবানী কবুল হওয়ার অন্যতম উসীলা। "


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং উনার সন্তুষ্টি হাছিলের জন্য উসীলা গ্রহণ করো। আর হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে ওয়াছিয়ত করেছেন আমি যেনো উনার পক্ষ থেকে কুরবানী করি। অতএব, যাদের পক্ষে সম্ভব তারা যেনো অবশ্যই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উনার নাম মুবারক-এ কুরবানী করে; যা কুরবানীদাতার কুরবানী কবুল হওয়ার অন্যতম উসীলা। পাশাপাশি মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি লাভেরও উসীলা হবে।

বুধবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১২

" ইখলাছ ব্যতীত গইরুল্লাহর উদ্দেশ্যে কুরবানী করলে তা কবুল হবে না "


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা খুশি মনে, ইখলাছ বা আন্তরিকতার সাথে কুরবানী কর।
প্রত্যেক ছাহিবে নিছাব বা সামর্থ্যবান পুরুষ বা মহিলার জন্যই খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি হাছিলের লক্ষ্যে কুরবানী করা ওয়াজিব।
ইখলাছবিহীন কোন আমলই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কবুলযোগ্য নয়।
তাই প্রত্যেক কুরবানীদাতার জন্য দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে-
একমাত্র খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ রেযামন্দী হাছিলের লক্ষ্যেই কুরবানী করা।

"হানাফী মাযহাব মতে যার উপর কুরবানী ওয়াজিব তার পক্ষ থেকেই কুরবানী করতে হবে; তার নামে কুরবানী না করে মৃত বা জীবিত অপরের নামে কুরবানী করলে ওয়াজিব তরকের কারণে সে কঠিন গুনাহে গুনাহগার হবে। "


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি সামর্থ্যবান হওয়া সত্ত্বেও কুরবানী করবে না সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটেও না আসে।
যার উপর কুরবানী ওয়াজিব সে তার নামে কুরবানী না করে মৃত বা জীবিত অপরের নামে কুরবানী করলে ওয়াজিব তরকের কারণে সে কঠিন গুনাহে গুনাহগার হবে।
কারণ আমাদের হানাফী মাযহাব মতে মালিকে নিছাব প্রত্যেকেরই উপর আলাদাভাবে কুরবানী করা ওয়াজিব। অর্থাৎ যার উপর কুরবানী ওয়াজিব তার পক্ষ থেকেই কুরবানী করতে হবে।

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদুর রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কেউ কেউ ফতওয়ায়ে কাজীখান ও শামী কিতাবের বরাত দিয়ে বলে থাকে যে, যার উপর কুরবানী ওয়াজিব সে নিজের নামে কুরবানী না করে অপরের নামে করলেও তার ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবেমূলতঃ আমাদের হানাফী মাযহাবের মতে তাদের এ মতটি বিশুদ্ধ নয় বরং মারাত্মক অশুদ্ধ।

রবিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১১

যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর একবার তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা ওয়াজিব আর তিনবার পাঠ করা মুস্তাহাব-সুন্নত।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা (হজ্জ কুরবানীর) নির্দিষ্ট কয়েক দিন মহান আল্লাহ পাক উনাকে স্মরণ করো
আর হাদীছ শরীফ- ইরশাদ হয়েছে, যিলহজ্জ মাসের তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর তাকবীর বলবে-
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ
ছহীহ গ্রহণযোগ্য ফতওয়া হলো- পুরুষ হোক, মহিলা হোক, মুক্বীম হোক, মুসাফির হোক, একা হোক বা জামায়াতে হোক প্রত্যেকের জন্য প্রতি ফরয নামাযের পর একবার তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা ওয়াজিব আর তিনবার পাঠ করা সুন্নত
যারা এর ব্যতিক্রম বলে তাদের কথা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ দলীলবিহীন

বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১১

জামাতী, খারিজী, ওহাবী ও সন্ত্রাসী মৌলবাদী তথা ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাতে কুরবানীর চামড়া দিলে তাতে কুরবানী আদায় হবে না।


কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, তোমরা নেক কাজে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদ কাজে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না।
আর হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, যে কেউ একটা বদ কাজের সূচনা করলো যতজন তাতে শরীক হলো তাদের সবার গুনাহ যে বদ কাজের সূচনা করবে তার উপর গিয়ে পড়বে।
তাই কোনো জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনকে, ধর্মব্যবসায়ী তথা সন্ত্রাসী তৈরিকারী মাদরাসাগুলোতে এবং ভয়ে বা হাতে রাখার উদ্দেশ্যে মাস্তান, গুণ্ডা ও হিরোইনখোরদের কুরবানীর চামড়া দিলে কুরবানী আদায় হবে না।
কুরবানীর চামড়া দেয়ার উত্তম স্থান হলো- মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা

হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম তিনি উনার ছেলে হযরত ইসমাইল আলাইহিস সালাম উনাকেই কুরবানী করার জন্য যমীনে শোয়ায়ে ছিলেন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, হযরত ইবরাহীম খলীল আলাইহিস সালাম তিনি উনার ছেলে (হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম) উনাকে বলেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম আপনাকে যবেহ করতেছি, আপনি কি বলেন? তখন হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, হে আমার সম্মানিত পিতা! আপনি যা আদিষ্ট হয়েছেন তা করুন অর্থাৎ যবেহ করুন। অবশ্যই আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন। আর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, আমি দুই যবেহ অর্থাৎ হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম ও হযরত খাজা আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাদের আওলাদ। হযরত ইসমাঈল যবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকেই কুরবানী করার জন্য যমীনে শোয়ানো হয়েছিলো এবং উনারই পরিবর্তে একটি দুম্বা কুরবানী করা হয়েছিলো।’ এটাই কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফদ্বয়ের বর্ণনা। আর হযরত ইসহাক আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কিত বর্ণনাটি ইসরাইলী তথা ইহুদীদের বর্ণনা, যা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা ও পরিত্যাজ্য।

বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১১

যারা কুরবানী করবে তাদের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো- ওয়াজিব কুরবানী আদায় করার পর যদি সম্ভব হয় নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উনার নাম মুবারক-এ কুরবানী করা। যা কুরবানীদাতার কুরবানী কবুল হওয়ার একটি অন্যতম উসীলা।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং উনার সন্তুষ্টি হাছিলের জন্য উসীলা গ্রহণ করো। আর হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে ওয়াছিয়ত করেছেন আমি যেনো উনার পক্ষ থেকে কুরবানী করি। অতএব, যাদের পক্ষে সম্ভব তারা যেনো অবশ্যই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উনার নাম মুবারক-এ কুরবানী করে; যা কুরবানীদাতার কুরবানী কবুল হওয়ার অন্যতম উসীলা। পাশাপাশি মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি লাভেরও উসীলা হবে।