নোটিশ

হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৬ মে, ২০১৩

"আফযালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, ছিদ্দীক্বে আকবর হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র সুন্নত মুবারক উনাকে শুধু মুহব্বতই করতেন না বরং সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ও পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসরণও করতেন ।"


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে আমার সুন্নত মুবারক উনাকে মুহব্বত ও অনুসরণ করলো সে আমাকেই মুহব্বত ও অনুসরণ করলো।
আফযালুন নাস বাদাল আম্বিয়া, ছিদ্দীক্বে আকবর হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র সুন্নত মুবারক উনাকে শুধু মুহব্বতই করতেন না বরং সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ও পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসরণও করতেন।
তাই তিনি এত বেমেছালভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার ও নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের উভয়ের খাছ রেযামন্দি মুবারক হাছিল করেছেন।
অতএব, আমাদের সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, উনার পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক থেকে ইবরত-নছীহত মুবারক হাছিল করে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পরিপূর্ণ অনুসরণ করা।

শনিবার, ৪ মে, ২০১৩

২২ জুমাদাল উখরা হচ্ছে আফযালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছিদ্দীক্বে আকবর হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ উনার বরকতময় দিন


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনার মুহব্বতই হচ্ছে ঈমান।
আজ সুমহান ঐতিহাসিক ২২ জুমাদাল উখরা।
আফযালুন নাস বাদাল আম্বিয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছিদ্দীক্বে আকবর হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ উনার বরকতময় দিন।
সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার সম্মানার্থে এ বরকতপূর্ণ দিনে পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ এবং দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করে উনার যথাযথ ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করা।
আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব এবং কর্তব্য ছিলো- মাসব্যাপী মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা এবং উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে- ৯৭ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র ইসলাম উনার দেশের সরকার এখনো পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করেনি। সরকারের উচিত এ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়া এবং গুরুত্বের সাথে দেখা।

বৃহস্পতিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১২

" আমীরুল মু’মিনীন হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি শুধু ছাহাবীই নন, বরং মর্যাদাপূর্ণ, জলীলুল ক্বদর ছাহাবী, কাতিবে ওহী, গুপ্তভেদ জাননেওয়ালা ছাহাবী এবং ন্যায়পরায়ণ খলীফাও ছিলেন। "


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দোয়া মুবারক করেন, আয় আল্লাহ পাক! হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে হাদী ও হিদায়েতপ্রাপ্ত করুন এবং উনার দ্বারা লোকদের হিদায়েত দান করুন।
আমীরুল মুমিনীন হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি শুধু ছাহাবীই নন, বরং মর্যাদাপূর্ণ, জলীলুল ক্বদর ছাহাবী, কাতিবে ওহী, গুপ্তভেদ জাননেওয়ালা ছাহাবী এবং ন্যায়পরায়ণ খলীফাও ছিলেন।
কাজেই, ইয়াযীদ মালউনের অপরাধের জন্য বিশিষ্ট ছাহাবী, আমীরুল মুমিনীন হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে দোষারোপ করা বা উনার সমালোচনা করা সম্পূর্ণরূপে কুফরী।
এ কুফরী থেকে প্রত্যেক মুমিন-মুসলমান উনাদেরকে বেঁচে থাকতে হবে। অন্যথায় ঈমানহারা হয়ে মৃত্যুবরণ করে জাহান্নামের ইন্ধন হতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১২

খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনারা গণতান্ত্রিক ভিত্তিতে খলীফা নির্বাচিত হন নি; বরং উনারা আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক মনোনীত ছিলেন


হাদীছ শরীফ-এ এসেছেনিশ্চয়ই নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস্ সালামফারূকে আযম হযরত উমর ইবনুল খত্তাব আলাইহিস সালামহযরত উছমান যুন নূরাঈন আলাইহিস্ সালাম উনাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেছেনউনারা আমার পরে খলীফা।

সুতরাং খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিম্সু সালাম উনারা মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব নূরে মুজাস্সামহাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের কর্তৃক খলীফা মনোনীত হয়েছেন। উনারা গণতান্ত্রিত ভিত্তিতে খলীফা নির্বাচিত হননি। যারা বলে থাকে উনারা গণতান্ত্রিক ভিত্তিতে খলীফা নির্বাচিত হয়েছেনতাদের এই বক্তব্য ভুলঅশুদ্ধ এবং কুফরীমূলক হয়েছে। তাদেরকে খালিছ তাওবা ইস্তিগফার করতে হবে। আর হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনারা যেহেতু খিলাফত পরিচালনা করেছেন। তাই মুসলমানদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে হারাম গণতন্ত্র ছেড়ে দিয়ে খিলাফতের জন্য কোশেশ করা।

বৃহস্পতিবার, ১ মার্চ, ২০১২

হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নামের সাথে كرم الله وجهه (আল্লাহ পাক উনার চেহারা মুবারককে বিশেষভাবে উজ্জল করুন) বলার কারণ ও ইতিহাস

৭২টি বাতিল গুমরাহ জাহান্নামী ফিরক্বার মধ্যে অন্যতম খারিজীরা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলো ওরা উনাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উনার নাম মুবারক-এর সাথে سود الله وجهه (অর্থাৎ আল্লাহ পাক উনার চেহারা মুবারককে কালিমাময় করে দিন) বলতো নাঊযুবিল্লাহ!

বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১১

ছাহিবে শাফায়াতে কুবরা, ছাহিবে মাক্বামে মাহমূদ, ছাহিবে ঈমান, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বতের অনুপম দৃষ্টান্ত


لا يؤمن احدكم حتى يكون الله ورسوله احب اليه من نفسه وماله وولده ووالده والناس اجمعين
অর্থ: “তোমরা ততোক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবেনা যতোক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের নিকট আল্লাহ পাক ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা তোমাদের জান-মাল, পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি ও সমস্ত মানুষ হতে বেশি প্রিয় না হবেন।”

হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উক্ত বাণীর সত্যতা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম নিজেদের আমল দিয়ে এমনভাবে প্রমাণ করেছিলেন; যা বিশ্বের ইতিহাসে শুধু বিস্ময়কর নয় বরং কল্পনাতীত। নিচে কয়েকটি দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হলো-

সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০১১

আওওয়ালু শাফিয়িন, আওওয়ালু মুশাফফায়িন, আহলুল্লাহ, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ‘শিআবে আবু তালিব’-এ অবস্থান এবং তা থেকে গ্রহণীয় নছীহত


لكل نبى عدوا شياطين الانس و الجن
অর্থ: “প্রত্যেক নবী-রসূল আলাইহিমুসসালাম উনাদের শত্রু তারাই যারা জিন-ইনসানের মধ্যে শয়তান প্রকৃতির।” (সূরা আনয়াম : আয়াত শরীফ ১১২)

কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ মারফত জানা যায়, আল্লাহ পাক উনার প্রথম নবী ও রসূল হযরত আদম আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে আখিরী রসূল হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত প্রত্যেক নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের শত্রু ছিলো। এমন একজন নবী কিংবা রসূল অতীত হননি যাঁর কোনো বিরোধিতা করা হয়নি বা শত্রু ছিলো না।

শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

হাদীছ শরীফে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের ফযীলত ও মর্যাদার বর্ণনা

আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদীছ শরীফে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা সমপর্কে ইরশাদ করেন, “হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত : যে ব্যত্তি শরীয়তের সঠিক তরীকা অনুসরণ করতে চায়, তার উচিত যারা অতীত হয়েছেন, তাঁদেরকে, অর্থাৎ আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার প্রিয় ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের অনুসরণ করা । তাঁরা উমমতের মধ্যে সর্বোত্তম, আত্মার দিক দিয়ে তাঁরা অধিক পবিত্র, ইল্‌মের দিক দিয়ে গভীর, তাঁরা লোক দেখানো আমল করা হতে মুক্ত । আল্লাহ পাক তাঁদেরকে দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্যে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার সাথী হিসাবে মনোনীত করেছেন । সুতরাং, তাঁদের মর্যাদা-মর্তবা, ফাযায়িল-ফযীলত, শান-শওকত সমপর্কে অবগত হও এবং তাঁদের কথা ও কাজের অনুসরণ কর এবং যথা সম্ভব তাঁদের সিরত-ছুরতকে গ"হণ কর, কারণ তাঁরা হিদায়েত ও ‘‘সিরাতুল মুস্তাকীম’’-এর উপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত । (মিশকাত শরীফ পৃ:৩২)

হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের ইত্তিবা বা অনুসরণ ফরয-ওয়াজিব

এ প্রসঙ্গে কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, মুহাজির ও আনছার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ, যাঁরা পূর্ববর্তীদের মধ্যে অগ্রগণ্য, তাঁরা এবং তাঁদেরকে যাঁরা ( কিয়ামত পর্যন্ত) উত্তমভাবে অনুসরণ করবে, তাঁদের উপর আল্লাহ পাক সন্তুষ্ট, তাঁরাও আল্লাহ পাক-উনার উপর সন্তুষ্ট। তাঁদের জন্য আল্লাহ পাক এরূপ বেহেশ্‌ত নির্ধারিত রেখেছেন, যার তলদেশ দিয়ে ঝর্ণা প্রবাহিত হবে, তাঁরা সর্বদা সে বেহেশ্‌তে অবস্থান করবেন, এটা তাঁদের মহান সফলতা । (সূরা তওবা-১০০)

হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের মুহব্বত ঈমানের অঙ্গ এবং উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরী

এ প্রসঙ্গে কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “নিশ্চয়ই যারা আল্লাহ পাক ও উনার রসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দেয়, দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের প্রতি আল্লাহ পাক-উনার অভিসমপাত এবং তাদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।” (সূরা আহ্‌যাব-৫৭)

হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার জন্য হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের মুহব্বত ও আত্ম-ত্যাগ

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্‌ নাবিয়্যীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন : “তোমাদের কেউ প্রকৃত মু’মিন হতে পারবে না যতক্ষণ না আমি তার নিকট তার মা-বাবা, ছেলে-মেয়ে এমন কি সমস্ত মানুষের চাইতে বেশী প্রিয় হব । (বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ)

হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের পরিচয়

ছাহাবা শব্দের অর্থ হলো সাথী। প্রসঙ্গতঃ প্রশ্ন হলো ছাহাবী কারা? এ প্রশ্নের সহজ সরল জাওয়াব হলো যাঁরা ঈমানের সাথে সাইয়্যদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছেন, উনার মুবারক ছোহবত অর্জন করেছেন এবং ঈমানের সাথে যমীন থেকে বিদায় নিয়েছেন, উনারাই ‘ছাহাবী’।


বৃহস্পতিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০

খলীলুল্লাহ, খাতামুন্‌ নাবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরামগণের তা’যীম-তাকরীমের উজ্জ্বল নিদর্শনসমূহ

“যাঁরা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্‌ নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর ঈমান আনবে, তাঁকে তা’যীম করবে, তাঁর খিদমত করবে এবং তাঁর উপর অবতীর্ণ কুরআন শরীফকে অনুসরণ করবে তারাই হবে সফলকাম।” (সূরা আ’রাফ- ১৫৭)