পৃষ্ঠাসমূহ
- যামানার ইমাম
- আজকের ক্বওল শরীফ
- সুন্নাহ শরীফ
- মুসলিম নির্যাতন
- বাতিল ফিরকা
- চিকিৎসা সহায়তা
- প্রথম-পাতা
- ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিয়ে যুক্তিহীন বিতর্কের অবসান
- বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক আইন
- সামরিক প্রযুক্তি
- আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা ও নানা শাখা-প্রশাখা
- মুসলমানদের সামনে চ্যালেঞ্জ
- সন্তানদের শিক্ষাদান পদ্ধতি
- পবিত্র আল-বাইয়্যিনাত শরীফ উনার সূচী মুবারক
বুধবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১১
ইসলামের দৃষ্টিতে পহেলা মুহররম হোক, পহেলা বৈশাখ হোক, পহেলা জানুয়ারি হোক তাতে ভালো বা বিশেষ খাবার গ্রহণে আলাদা কোনো ফযীলত বা বরকত নেই
বুধবার, ২০ এপ্রিল, ২০১১
বর্তমানে প্রচলিত ফসলী সন তথা বাংলা সন বাঙালিদের সন নয় এবং হাজার বছরের ঐতিহ্য নয়
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করো না।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, “ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত বর্তমানে প্রচলিত বাংলা সন প্রকৃতপক্ষে মোগল বাদশাহ আকবর কর্তৃক প্রবর্তিত ফসলী সনের আধুনিক রূপ।
বাদশাহ আকবর নিজে বাঙালি বা বাংলাদেশী বা তার মাতৃভাষা বাংলা ছিলো না। তাহলে কি করে বর্তমানে প্রচলিত ফসলী সন তথা বাংলা সন বাঙালিদের সন ও হাজার বছরের ঐতিহ্য হতে পারে? ফসলী সন তথা বাংলা সন গণনা শুরু হয় ৯৬৩ হিজরীতে। আর উদ্ভব ঘটে ৯৯৩ হিজরীতে। যা ৫০০ বছরও অতিবাহিত হয়নি। অতএব, মুসলমানদের বেশি বেশি পড়াশোনা করে জ্ঞান অর্জন করা উচিত।”
বাংলা নববর্ষ, ইংরেজি নববর্ষ, আরবী নববর্ষ ইত্যাদি পালন করা থেকে বিরত থাকা সকল মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা ইহুদী-নাছারা, মজুসী ও মুশরিকদের খিলাফ কর। পহেলা বৈশাখ বা নববর্ষ পালনের নামে বেপর্দা, বেহায়াপনা, হুজ্জোতি, বেলেল্লাপনা, মাতলামি করা সম্পূর্ণরূপে হারাম। বাংলা নববর্ষ, ইংরেজি নববর্ষ, আরবী নববর্ষ ইত্যাদি সবই ইহুদী-নাছারা, বৌদ্ধ, মজুসী-মুশরিকদের তর্জ-তরীক্বা; যা পালন করা থেকে বিরত থাকা সকল মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব।