নোটিশ

বদ্‌ খাছলত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বদ্‌ খাছলত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৩

আমাল বা অবৈধ আকঙ্খা পরিহার করা অপরিহার্য কর্তব্য

‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত’ শরীফ সংখ্যা: ২২৬তম সংখ্যা | বিভাগ: 


পার্থিব ধন-সম্পদ কিংবা দুনিয়াবী পদমর্যাদা প্রভৃতির জন্য আশা-আকাঙ্খা করা অবশ্যই নিন্দনীয়। তবে দ্বীনি ইলম অর্জন, জিহাদে অংশগ্রহণ ইত্যাদি নেক কাজের আকাঙ্খা নিন্দনীয় নয়; বরং প্রশংসনীয়। অতএব বলা যায়, আশা-আকাঙ্খার ভাল-মন্দ উভয় দিক রয়েছে। অত্র প্রবন্ধে কেবল মন্দ বা অবৈধ আকাঙ্খা সম্পর্কে আলোকপাত করা হচ্ছে; যা প্রকৃতপক্ষে কাফির-মুশরিকদের স্বভাব-বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত।

যেমন- এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন-

ذرهم ياكلوا ويتمتعوا ويلههم الامل فسوف يعلمون

অর্থ : “আপনি তাদেরকে তাদের অবস্থার উপর ছেড়ে দিন, তারা আহার করুক, ভোগ করুক এবং আশা-আকাঙ্খায় মোহগ্রস্ত থাকুক। শীঘ্রই তারা প্রকৃত অবস্থা জানতে পারবে।” (পবিত্র সূরা হিজর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩)

নিফাক্ব বা কপটতার ভয়াবহ পরিণতি ও প্রতিকার

‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত’ শরীফ সংখ্যা: ২২৫তম সংখ্যা | বিভাগ: 


নিফাক্ব থেকে মুনাফিক্ব শব্দটির উৎপত্তি। যার মধ্যে নিফাক্ব, নিফাক্বী বা মুনাফিক্বী আচরণ রয়েছে সেই মুনাফিক্ব। মুখে একটা আর অন্তরে আরেকটা এরূপ স্বভাবের অধিকারী ব্যক্তিকেই সাধারণত মুনাফিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। মুনাফিকের কাজ হলো ধোকা দেয়া বা প্রতারণা করা। মুনাফিক্ব দু’ শ্রেণীর হয়ে থাকে। ১. আক্বীদা বা বিশ্বাসের দিক দিয়ে মুনাফিক্ব। ২. আমল বা কর্মের দিক দিয়ে মুনাফিক্ব।
যারা আক্বীদার দিক দিয়ে মুনাফিক; এরা বাহ্যিকভাবে নিজেকে ইসলামের অনুসারী বলে দাবি করে, কিন্তু আন্তরিকভাবে কুফরিকে লালন করে। এরা কাফির অথবা কাফিরদের চেয়ে মারাত্মক। এদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আর মানুষদের মধ্যে এমন কতক লোক রয়েছে, যারা বলে আমরা ঈমান এনেছি মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি এবং পরকালের প্রতি; কিন্তু তারা ঈমানদার নয়। তারা প্রতারণা করে মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে এবং যারা ঈমানদার উনাদের সাথে। প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেদেরকেই প্রতারিত করে; অথচ তারা উপলব্ধি করতে পারে না। তাদের অন্তরে রয়েছে (কপটতার) ব্যাধি। অতঃপর মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের এ ব্যধি আরো বৃদ্ধি করে দেন। অর্থাৎ তাদের কপটতার কারণে তাদের এ ব্যাধি আরো বৃদ্ধি পায়। আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক কঠিন শাস্তি। কারণ, তারা মিথ্যা কথা বলতো।”

তাফসীরুল কুরআন: বুগ্য বা শত্রুতার নিন্দা ও তার প্রতিকার

‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত’ শরীফ সংখ্যা: ২১৯ তম সংখ্যা | বিভাগ: 


يايهاالذينامنوالاتتخذوابطانةمندوناللهلايألونكمخبالاودواماعنتمقدبدتالبغضاءمنافواههموماتخفىصدورهماكبرقدبينالكمالاياتانكنتمتعقلون.

অর্থ : “হে ঈমানদাররা! তোমরা ঈমানদার ব্যতীত অন্য কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করনা। তারা তোমাদের ক্ষতি সাধনে কোন ত্রুটি করে না। তোমরা কষ্টে থাক, তাতেই তাদের আনন্দ। শত্রুতাপ্রসূত বিদ্বেষ তাদের মুখেই প্রকাশ হয়ে পড়ে আর যা কিছু তাদের অন্তরে লুকিয়ে রয়েছে, তা আরো অনেকগুণ বেশী জঘন্য। আমি তোমাদের জন্যে নিদর্শন বিশদভাবে বর্ণনা করে দিলাম। যদি তোমরা তা অনুধাবন করতে সমর্থ হও।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৮)



উদ্ধৃত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, প্রকৃতপক্ষে কাফির, মুশরিকরা হচ্ছে মুসলমানদের শুত্রু ফলে তারাই মুসলমানদের প্রতি শুত্রুতা পোষণ করতে পারে। এবং বাস্তবিক করেও থাকে। কিন্তু মুসলমানরা হচ্ছে পরস্পর ভাই ভাই। ফলে তারা একে অপরের সাথে সর্বদা মিত্রতা বা বন্ধুসুলভ আচরণ বজায় রাখবে। তারা একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ বা শত্রুতা করতে পারে না।

গীবতের অনিষ্টতা ও ভয়াবহ পরিণতি

‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত’ শরীফ সংখ্যা: ২০৬তম | বিভাগ: 
----------------------------------------------
ولا يغتب بعضكم بعضا ايحب احدكم ان يأكل لحم اخيه ميتا فكرهتموه

অর্থ: তোমাদের কেউ যেন কারো গীবত না করে। তোমাদের কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করবে? বস্তুত তোমরা তো তা অপছন্দ বা ঘৃণাই করবে। (সূরা হুজুরাত: আয়াত শরীফ ১২)

গীবত বা পরনিন্দা শক্ত হারাম ও কঠিন কবীরা গুনাহ এবং গীবতকারীর শাস্তিও অত্যন্ত ভয়াবহ। খালিক্ব মালিক রব আল্লাহ পাক তিনি গীবত বা পরনিন্দার অপরাধের কথা কঠোর ভাষায় বর্ণনা করেছেন। এমনকি গীবতকারী ব্যক্তিকে আপন ভাইয়ের মৃতদেহের গোশত ভক্ষণকারীর সাথে তুলনা দিয়েছেন। নাউযুবিল্লাহ!

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, গীবত হলো কারো অনুপস্থিতিতে তার সম্পর্কে এমন সব কথা বলা যেগুলো শুনলে সে পছন্দ করবে না। এসব কথা বা সমালোচনা সে ব্যক্তির দেহ বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, বংশ, কথাবার্তা, কাজ-কর্ম, ইহকাল-পরকাল, দ্বীন-ধর্ম, আহার-নিদ্রা এমনকি তার পোশাক-পরিচ্ছদ এবং আরোহণের জন্তু সম্পর্কে হলেও তা গীবত বলে পরিগণিত হবে।

অহঙ্কারের নিন্দা ও ভয়াবহ পরিণতি

‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত’ শরীফ সংখ্যা: ২০৭তম | বিভাগ: 
----------------------------------------------------------------

আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন-

ان الله لا يحب من كان مختالا فخورا

অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক তিনি কোন দাম্ভিক ও ফখরকারীকে পছন্দ করেন না। (সূরা নিসা : আয়াত শরীফ ৩৬)

হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন-

من كان فى قلبه مثقال ذرة من كبر لا يدخل االجنة

অর্থ: যার অন্তরে এক জাররা অর্থাৎ সরিষার দানা পরিমাণও অহঙ্কার থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।

বুধবার, ২৭ মার্চ, ২০১৩

শরফ বা সম্মান কামনা করা ও তার কুফল

[মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ২১৫ তম সংখ্যা (জুন ২০১২ ঈসায়ী) থেকে সংগৃহীত ]

বৃহস্পতিবার, ১ মার্চ, ২০১২

অহঙ্কারবশতঃ যারা গুমরাহীর উপর দৃঢ় থাকবে তারা হিদায়েত পাবে না


অহঙ্কারবশতঃ যারা গুমরাহীর উপর দৃঢ় থাকবে তারা হিদায়েত পাবে না
যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস্সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে যম, আওলাদুর রসূল, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফের মামদুহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী এক ক্বওল শরীফে কথা বলেন

মুজাদ্দিদে আযম, হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেন, অন্তরের একটি রোগ হলো তাকাব্বুর, গুরুর বা গর্ব-অহঙ্কার