হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আবু দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আবু আমির
আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার গৃহে উপস্থিত হয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি উনার সন্তানাদি এবং আত্মীয়-স্বজন, জ্ঞাতি-গোষ্ঠী, পাড়া-প্রতিবেশীদেরকে নিয়ে
আখিরী রসূল হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত
শরীফ উনার ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছেন এবং বলছেন, এই দিবস; এই দিবস (অর্থাৎ এই দিবসে রসূলুল্লাহ
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যমীনে তাশরীফ এনেছেন এবং ইত্যাদি ইত্যাদি
ঘটেছে)। এতদশ্রবণে আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম বললেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা
উনার রহমতের দরজা আপনার জন্য উম্মুক্ত করেছেন এবং সমস্ত ফেরেশতাগণ আপনার জন্য
ক্ষমা প্রার্থনা করছেন এবং যে কেউ আপনার মত এরূপ কাজ করবে, সেও আপনার মত নাযাত (ফযীলত) লাভ করবে।” সুবহানাল্লাহ!
পৃষ্ঠাসমূহ
- যামানার ইমাম
- আজকের ক্বওল শরীফ
- সুন্নাহ শরীফ
- মুসলিম নির্যাতন
- বাতিল ফিরকা
- চিকিৎসা সহায়তা
- প্রথম-পাতা
- ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিয়ে যুক্তিহীন বিতর্কের অবসান
- বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক আইন
- সামরিক প্রযুক্তি
- আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা ও নানা শাখা-প্রশাখা
- মুসলমানদের সামনে চ্যালেঞ্জ
- সন্তানদের শিক্ষাদান পদ্ধতি
- পবিত্র আল-বাইয়্যিনাত শরীফ উনার সূচী মুবারক
মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, ‘তোমরা সকলে আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও।’ (সূরা ইমরান-৭৯)
মীলাদ শরীফ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মীলাদ শরীফ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রবিবার, ৩০ জুন, ২০১৩
শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১২
সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে খরচ করা বা খিদমতের আঞ্জাম দেয়ার ফযীলত
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘আমি তোমাদেরকে
যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে তোমরা খরচ করো।’
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন,‘সখী বা দানশীল হচ্ছে ‘হাবীবুল্লাহ’।’
সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে
আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে যে ব্যক্তি
এক দিরহাম খরচ করবে সে ‘ছিদ্দীকে আকবর’ উনার সাথে
জান্নাতে থাকবে, বদর ও হুনাইন যুদ্ধে শরীক থাকার ফযীলত পাবে, উহুদ পাহাড়
পরিমাণ স্বর্ণ দান করার ফযীলত লাভ করবে।
তাই সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ
উপলক্ষে সাধ্য সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করা বা খিদমতের আঞ্জাম দেয়া।
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১১
মীলাদ শরীফ পাঠ করা ও ক্বিয়াম করা খাছ সুন্নত, বিদয়াত বলা কাট্টা কুফরী
“মীলাদ
শরীফ-এর
মজলিস স্বয়ং
আল্লাহ পাক-এর হাবীব,
নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ
হুযূর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও
হযরত ছাহাবায়ে
কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু
তায়ালা আনহুমগণের
যামানাতেই ছিলো। তাই মীলাদ শরীফ
পাঠ করা
ও ক্বিয়াম
করা খাছ
সুন্নত, বিদয়াত
বলা কাট্টা
কুফরী।
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ,
যামানার ইমাম
ও মুজতাহিদ,
মুজাদ্দিদে আ’যম,
ইমামুল আ’ইম্মাহ, কুতুবুল
আলম, আওলাদে
রসূল, সাইয়্যিদুনা
ইমাম রাজারবাগ
শরীফ-এর
মামদূহ হযরত
মুর্শিদ ক্বিবলা
মুদ্দা জিল্লুহুল
আলী রাজারবাগ
শরীফ-এ
এক আলোচনা
মজলিসে এসব
কথা বলেন।
লেবেলসমূহ:
তাজদীদ,
ফরয-ওয়াজিব,
মীলাদ শরীফ
বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০১১
মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম করা সুন্নতে উম্মত ॥ অবজ্ঞা করা কুফরী
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, “মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম করা সুন্নতে উম্মত, অবজ্ঞা করা কুফরী।”
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মীলাদ শরীফ মূলতঃ তিনটি শব্দের সমষ্টি যেমন-(মীলাদ) অর্থাৎ জন্মের সময়, (মাওলিদ) অর্থাৎ জন্মের স্থান এবং (মাওলুদ) অর্থাৎ সদ্য প্রসূত সন্তান। অতএব সব মিলিয়ে মীলাদ শরীফের অর্থ দাঁড়ায়-সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সানা-ছীফত ও জন্ম বৃত্তান্ত আলোচনা করা ও তাঁর প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করা।
লেবেলসমূহ:
তাজদীদ,
ফরয-ওয়াজিব,
মীলাদ শরীফ,
সুন্নাত
বৃহস্পতিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০
মীলাদ শরীফ-কিয়াম শরীফ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের যামানাতেই ছিল
মীলাদ শব্দের অর্থ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ছানা-ছিফত করা ও তাঁর প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করা। অতএব, তা আল্লাহ পাক ও তাঁর রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামসহ সবারই সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। আমরা যেভাবে মজলিস করে মীলাদ মাহফিল করে থাকি তা খোদ আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুগণের যামানাতেই ছিল।
মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১০
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম ও আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণের দৃষ্টিতে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
মুসলমান মাত্রই ‘শাহরুল আ’যম, মাহে রবীউল আউয়াল শরীফ এবং সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ বা সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর’ সম্পর্কে ইলম হাছিল করা প্রধান ফরয। এবং তা পালন করাও বিশেষ ফরয। মূলকথা হলো- পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-ই হচ্ছে কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ; যা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ বা সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর। আর এটা পালন করা মুসলমানদের জন্য তো অবশ্যই বরং সমস্ত কায়িনাতের জন্যই ফরয-ওয়াজিব।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)