নোটিশ

তাজদীদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
তাজদীদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৫ মে, ২০১৩

হানাফী মাযহাবে কুনূতে নাযেলা পড়া জায়িয নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার ১২৮নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘এ বিষয়ে আপনার (হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আর কোনো কিছু করার প্রয়োজন নেইএই পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করে কুনূতে নাযেলা পড়ার বিষয়টি মানসূখ বা রহিত করে দিয়েছেন।
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কুনূতে নাযেলা পাঠ করতে নিষেধ করেছেন।
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার দ্বারা মানসূখ বা রহিতকরণ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা নিষেধকরণের প্রেক্ষিতে সম্মানিত হানাফী মাযহাবে কুনূতে নাযেলা পড়া জায়িয নেই তাই হারাম বলে ফতওয়া দেয়া হয়েছে।
এরপরও দেখা যায়- কিছু মুফতী, মুহাদ্দিছ, মুফাসসির, ছূফী, দরবেশ, ওয়ায়িজ, খতীব নামধারী জাহিল গণ্ডমূর্খের দল তারা কুনূতে নাযেলা পড়ার জন্য নির্দেশ দিয়ে থাকে। অথচ সম্মানিত হানাফী মাযহাব মুতাবেক ছহীহ ফতওয়া হচ্ছে, কেউ যদি কুনূতে নাযেলা ভুলে হোক, জেনে হোক অথবা না জেনে হোক পাঠ করে, তাহলে তার নামায ফাসিদ (ভঙ্গ) হয়ে যাবে। তাকে পুনরায় নামায দোহরিয়ে আদায় করতে হবে। অন্যথায় সে নামায তরকের কারণে কবীরা ও কুফরী গুনাহে গুনাহগার হবে।
আর যাদের ফতওয়ার কারণে মুছল্লীগণের নামায বাতিল হবে তার সমুদয় গুনাহর দায়-দায়িত্ব সেসব জাহিল ও গুমরাহ্ ফতওয়াদাতার উপরই বর্তাবে।

বুধবার, ৮ মে, ২০১৩

খানা খাওয়ার সুন্নাত সমূহ

[মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ৭১ তম সংখ্যা (জুলাই ১৯৯৯ ঈসায়ী) থেকে সংগৃহীত ]


" বাদশাহ আকবর পবিত্র হিজরী সনের বিরোধিতা করেই ফসলী সন রচনা করে। সুতরাং ফসলী সন মুসলমানগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। "


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি পবিত্র দ্বীন ইসলাম ভিন্ন অন্য কোনো ধর্ম তালাশ বা গ্রহণ করবে তার কাছ থেকে তা কখনোই কবুল করা হবে না। অর্থাৎ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার খেলাফ কোনো তর্জ-তরীক্বা তালাশ বা গ্রহণ করবে তার কাছ থেকে তা কখনোই কবুল করা হবে না।
বাদশাহ আকবর পবিত্র হিজরী সনের বিরোধিতা করেই ফসলী সন রচনা করে।
সুতরাং ফসলী সন মুসলমানগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
অতএব, মুসলমানগণের জন্য পবিত্র হিজরী সন সর্বত্র চালু করা ফরয-ওয়াজিব।
কারণ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার সমস্ত আমলগুলিই পবিত্র হিজরী সন অনুযায়ী অর্থাৎ চাঁদের তারিখের সাথে সম্পৃক্ত।
উল্লেখ্য যে, খবরের কাগজগুলোতে আরবী সনের উল্লেখ থাকলেও মানুষের দৈনন্দিন চর্চাতে তা অনুপস্থিত, যা সত্যি মুসলমানগণের জন্য লজ্জার বিষয়।

সোমবার, ৬ মে, ২০১৩

"পহেলা মে ‘আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস’ হিসেবে পালন করা সম্পূর্ণরূপে নাজায়িজ।"


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করো না।
আগামীকাল যারা পহেলা মে পালন করবে তারা কুফরী করবে।
পহেলা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসহিসেবে পালিত হবার নেপথ্যেও রয়েছে সাম্রাজ্যবাদী ইহুদী-নাছারা, বেদ্বীন-বদদ্বীনদের তথা বিধর্মী কাফিরদের কর্তৃক সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধীতা করার সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র।
আর ইহুদী-নাছারা, বেদ্বীন-বদদ্বীনদের তথা বিধর্মী কাফিরদের ষড়যন্ত্রে বিভ্রান্ত হয়ে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অনুশাসন ভুলে মুসলিম দেশগুলোও বিধর্মী কাফিরদের কর্তৃক প্রবর্তিত কুফরী রীতি সম্বলিত পহেলা মেপালন করে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম শ্রমিকের সর্বোচ্চ মৌলিক মর্যাদাকে প্রতিষ্ঠিত করেছে যা কোনো দিবস নির্ভর নয়। তাই মে দিবসেরছুটি সম্পূর্ণ গুরুত্বহীন।
অতএব, সরকারের উচিত এ দিনের ছুটি বাতিল করে ইসলামী মূল্যবোধযুক্ত দিনে সরকারি ছুটির ব্যবস্থা করা।

সোমবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৩

খাছ সুন্নতী টুপির ফতোয়া-৭: চার টুকরা বিশিষ্ট গোল, সাদা, সুতি কাপড়ের তৈরী টুপি ব্যবহার করা সুন্নাত ।।

[মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ৫৯ তম সংখ্যা (জুলাই ১৯৯৮ ঈসায়ী) থেকে সংগৃহীত ]

খাছ সুন্নতী টুপির ফতোয়া-৬: লম্বা-কিস্তি টুপি, উচু-বুরনুস টুপি পড়া নাজায়িজ ।।

[মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ৫৮ তম সংখ্যা (জুন ১৯৯৮ ঈসায়ী) থেকে সংগৃহীত ]

খাছ সুন্নতী টুপির ফতোয়া-৫: সুলতানুল হিন্দ, খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতি রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কর্তৃক বর্ণিত "চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি"-এর হাদিস শরীফখানা অবশ্যই সঠিক ও অনুসরণীয়।

[মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ৫৭ তম সংখ্যা (মে ১৯৯৮ ঈসায়ী) থেকে সংগৃহীত ]


  • সুলতানুল হিন্দ, খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতি রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কর্তৃক বর্ণিত "চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি"-এর হাদিস শরীফখানা অবশ্যই সঠিক ও অনুসরণীয়।
  • উঁচু বুরনুস টুপি খাছ করে নাছারাদের আমল। যে সকল বর্ণনায় বুরনুস টুপির প্রমাণ পাওয়া যায়, তা ইসলামের প্রথম যুগের আমল ছিল।
  • কিস্তি বা দোপাট্টা টুপি পরিধান করা নাজায়িজ, যা খাছ করে হিন্দু মারওয়ারীদের আমল।


বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০১৩

খাছ সুন্নতী টুপির ফতোয়া-৩: লম্বা-কিস্তি টুপি, উচু-বুরনুস টুপি পড়া হারাম এবং পাঁচ কল্লি (টুকরাবিশিষ্ট) টুপি পড়া বিদয়াত ।।

[মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ৫৫ তম সংখ্যা (মার্চ ১৯৯৮ ঈসায়ী) থেকে সংগৃহীত ] 


আলোচ্য বিষয়াদিঃ
  •  সুন্নাহ শরীফ পালনে হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা-
      • ইমামে আ'যম হযরত আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি
      • সুলতানুল আউলিয়া হযরত বড় পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি 
      • সুলতানুল হিন্দ হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতি রহমতুল্লাহি আলাইহি
      • কাইয়্যুমে আউয়াল হযরত মুজাদ্দিদে আলফে সানী রহমতুল্লাহি আলাইহি
  •  সুন্নতের আমল ব্যতীত মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হওয়া সম্ভব নয়।
  • লম্বা, উঁচু, পাঁচ কল্লি, বুরনুস টুপি পড়া নাজায়িজ।

বুধবার, ২৭ মার্চ, ২০১৩

পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে জশনে জুলুছ তথা রাস্তায় রাস্তায় মিছিল করে ছবি তোলা, ভিডিও করা, ফটকা ফোটানো, রঙ ছিটানো, বাজনা বাজানো জায়িজ নয় ।।

পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে খুশি প্রকাশার্থে লোকজন দলবেধে রাস্তায় বের হয়ে তাকবীর ধ্বনি দেওয়া, ছলাত-সালাম, হামদ শরীফ, নাত শরীফ, কাছীদা শরীফ পাঠ করা এসব অবশ্যই জায়িজ ও শরীয়তসম্মত। কিন্তু জশনে জুলুছ তথ রাস্তায় রাস্তায় মিছিল করে ছবি তোলা, ভিডিও করা, ফটকা ফোটানো, রঙ ছিটানো বাজনা বাজানো জায়িজ নয় ।।

[মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ২১৫ তম সংখ্যা (জুন ২০১২ ঈসায়ী) থেকে সংগৃহীত ]
 

শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইন্তিকাল দিবসে শোক পালন করা যাবে না ।।

[মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার ১০৫ তম সংখ্যা (মে-২০০২) থেকে সংগৃহীত]

শোক মাত্র তিন দিনের জন্য, কিন্তু খুশি প্রকাশ অনন্ত কালের জন্য। তাই একই মুবারক দিনে বিলাদত শরীফ ও বিছাল শরীফ হলেও ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করাই যুক্তিসঙ্গত, যা সকলের জন্যই ফরযে আইন।

কিছু সহীহ আক্বীদাঃ
  •  ওলী-আল্লাহ গণ মৃত্যুবরণ করেন না, বরং অস্থায়ী জগত থেকে স্থায়ী জগতে প্রত্যাবর্তন করেন।
  • যারা শহীদ উনারাও জীবিত।
  • হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনারাও রওজা শরীফে জীবিত থাকেন।
  • নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হায়াতুন নবী, তিনি শুধুমাত্র পর্দার আড়ালে তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!

বৃহস্পতিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১২

" আমীরুল মু’মিনীন হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি শুধু ছাহাবীই নন, বরং মর্যাদাপূর্ণ, জলীলুল ক্বদর ছাহাবী, কাতিবে ওহী, গুপ্তভেদ জাননেওয়ালা ছাহাবী এবং ন্যায়পরায়ণ খলীফাও ছিলেন। "


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দোয়া মুবারক করেন, আয় আল্লাহ পাক! হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে হাদী ও হিদায়েতপ্রাপ্ত করুন এবং উনার দ্বারা লোকদের হিদায়েত দান করুন।
আমীরুল মুমিনীন হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি শুধু ছাহাবীই নন, বরং মর্যাদাপূর্ণ, জলীলুল ক্বদর ছাহাবী, কাতিবে ওহী, গুপ্তভেদ জাননেওয়ালা ছাহাবী এবং ন্যায়পরায়ণ খলীফাও ছিলেন।
কাজেই, ইয়াযীদ মালউনের অপরাধের জন্য বিশিষ্ট ছাহাবী, আমীরুল মুমিনীন হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে দোষারোপ করা বা উনার সমালোচনা করা সম্পূর্ণরূপে কুফরী।
এ কুফরী থেকে প্রত্যেক মুমিন-মুসলমান উনাদেরকে বেঁচে থাকতে হবে। অন্যথায় ঈমানহারা হয়ে মৃত্যুবরণ করে জাহান্নামের ইন্ধন হতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১২

" ওয়াজিব কুরবানী আদায় করার পর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উনার নাম মুবারক-এ কুরবানী করা কুরবানীদাতার কুরবানী কবুল হওয়ার অন্যতম উসীলা। "


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং উনার সন্তুষ্টি হাছিলের জন্য উসীলা গ্রহণ করো। আর হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে ওয়াছিয়ত করেছেন আমি যেনো উনার পক্ষ থেকে কুরবানী করি। অতএব, যাদের পক্ষে সম্ভব তারা যেনো অবশ্যই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উনার নাম মুবারক-এ কুরবানী করে; যা কুরবানীদাতার কুরবানী কবুল হওয়ার অন্যতম উসীলা। পাশাপাশি মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি লাভেরও উসীলা হবে।

" বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। ইসলামী শরীয়তের ফতওয়া মুতাবিক বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা, বাল্যবিবাহকে কটাক্ষ করা এবং বাল্যবিবাহ রোধে আইন করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। "


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা আহযাব-এর ৩০ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ইরশাদ করেন,হে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহলিয়াগণ অর্থাৎ হযরত উম্মুল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! আপনারা অন্য নারীদের মতো নন।
আজ বেমেছাল সুমহান ফযীলতযুক্ত ২১শে শাওওয়াল শরীফ।
উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র আক্বদ বা নিকাহ মুবারক দিবস।
ছয় বৎসর বয়স মুবারকে উনার আক্বদ বা নিকাহ সম্পন্ন হয়। যা বাল্যবিবাহ হিসেবে সাব্যস্ত। আর একারণেই বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত।
তাই সকল মুসলমান মহিলাদের জন্য ফরয ওয়াজিব হচ্ছে- প্রতি ক্ষেত্রে উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে অনুসরণ-অনুকরণ করা।
অনুরূপভাবে বর্তমানে যে মহিলা উনাকে উত্তমভাবে অনুসরণ-অনুকরণ করেন উনাকে অনুসরণ-অনুকরণ করা।

বুধবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১২

" রওযা শরীফ যিয়ারত করা নাজাত লাভের অন্যতম মাধ্যম। "


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আমার রওযা শরীফ যিয়ারত করবে, তার জন্যে আমার সুপারিশ ওয়াজিব।সুবহানাল্লাহ!
রওযা শরীফ যিয়ারত করা নাজাত লাভের অন্যতম মাধ্যম।
বাতিল ফিরক্বার লোকেরা হজ্জ ও ঈমানকে নষ্ট করে এবং রওযা শরীফ জিয়ারত করা থেকে বিরত রেখে মুসলমানদের জাহান্নামী করার নানা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
এর মধ্যে একটি ষড়যন্ত্র হচ্ছে হজ্জের সময় তারা প্রচার করে থাকে যে, রওযা শরীফ জিয়ারত করা সম্পর্কিত যতগুলি হাদীছ শরীফ রয়েছে তার সবগুলিই জাল। নাউযুবিল্লাহ!
অথচ এ সম্পর্কিত সবগুলি হাদীছ শরীফই ছহীহ ও গ্রহণযোগ্য। সুবহানাল্লাহ!

"হানাফী মাযহাব মতে যার উপর কুরবানী ওয়াজিব তার পক্ষ থেকেই কুরবানী করতে হবে; তার নামে কুরবানী না করে মৃত বা জীবিত অপরের নামে কুরবানী করলে ওয়াজিব তরকের কারণে সে কঠিন গুনাহে গুনাহগার হবে। "


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি সামর্থ্যবান হওয়া সত্ত্বেও কুরবানী করবে না সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটেও না আসে।
যার উপর কুরবানী ওয়াজিব সে তার নামে কুরবানী না করে মৃত বা জীবিত অপরের নামে কুরবানী করলে ওয়াজিব তরকের কারণে সে কঠিন গুনাহে গুনাহগার হবে।
কারণ আমাদের হানাফী মাযহাব মতে মালিকে নিছাব প্রত্যেকেরই উপর আলাদাভাবে কুরবানী করা ওয়াজিব। অর্থাৎ যার উপর কুরবানী ওয়াজিব তার পক্ষ থেকেই কুরবানী করতে হবে।

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদুর রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কেউ কেউ ফতওয়ায়ে কাজীখান ও শামী কিতাবের বরাত দিয়ে বলে থাকে যে, যার উপর কুরবানী ওয়াজিব সে নিজের নামে কুরবানী না করে অপরের নামে করলেও তার ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবেমূলতঃ আমাদের হানাফী মাযহাবের মতে তাদের এ মতটি বিশুদ্ধ নয় বরং মারাত্মক অশুদ্ধ।

মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১২

" ছবি তোলা এবং বেপর্দা হওয়া শরীয়তের দৃষ্টিতে হারাম। ছবি ও পর্দার আদেশ লঙ্ঘন করে হজ্জ করলে কস্মিনকালেও তা হজ্জে মাবরূর হবে না। "


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তির প্রতি হজ্জ ফরয সে যেনো হজ্জ পালনের ক্ষেত্রে অশ্লীল ও অশালীন এবং তার সংশ্লিষ্ট বেপর্দা, বেহায়ামূলক কোনো কাজ না করে এবং কোনো প্রকার ফাসিকী বা নাফরমানিমূলক কাজ না করে।
হজ্জ করা শর্ত সাপেক্ষে ফরয। আর ছবি তোলা এবং বেপর্দা হওয়া শরীয়তের দৃষ্টিতে হারাম।
ছবি ও পর্দার আদেশ লঙ্ঘন করে হজ্জ করলে কস্মিনকালেও তা হজ্জে মাবরূর হবে না।
আর শুধু মাত্র হজ্জে মাবরুরের বদলাই হচ্ছে জান্নাত।

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আযম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হজ্জের আদেশ দান প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্যেই তোমরা হজ্জ ও উমরাহ আদায় করো বা পূর্ণ করো।(সূরা বাক্বারা-১৯৬)

বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১২

|| সাহরী, ইফতার ও নামাযের সময়সূচি প্রকাশ ও প্রচার করার সময় পূর্ণ সাবধানতা অবলম্বন করা ফরয-ওয়াজিব ||


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে প্রমাণ উপস্থাপন করো।
হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, কোনো ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে তাই বলে বা প্রচার করে বেড়ায়।
সাহরী, ইফতার ও নামাযের সময়সূচি প্রকাশ ও প্রচার করার সময় পূর্ণ সাবধানতা অবলম্বন করা ফরয-ওয়াজিব।
সাহরী ও ইফতারির সঠিক সময় জানতে গবেষণা কেন্দ্র- মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফথেকে প্রকাশিত ক্যালেন্ডারটি সংগ্রহ ও অনুসরণ করুন।

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আযম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আমাদের দেশের শাসকশ্রেণীর ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং উলামায়ে সূদের অপব্যাখ্যার কারণে দেশের সাধারণ মানুষ ইসলামের সঠিক শিক্ষা এবং তা পালন থেকে অনেক দূরে।