নোটিশ

ক্বাছিদা ও কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ক্বাছিদা ও কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১২ অক্টোবর, ২০১১

আন নাবিইয়ুছ ছালিহ, নাবিইয়ুর রহমাহ, নাবিইয়ুল হারামাইন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক-এ উনার আম্মা সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত আমিনা আলাইহাস সালাম উনার রচিত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ না’ত শরীফ-এর অনুবাদ ও শাব্দিক অর্থ


وَاِنَّكَ لَعَلٰى خُلُقٍ عَظِيْمٍ
অর্থ: “নিশ্চয়ই আপনি সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী।” (সূরা ক্বলম-৪)

হামদ শরীফ, না’ত শরীফ, ক্বাছীদা শরীফ লেখা, পাঠ করা, পাঠ করতে সাহায্য করা, শ্রবণ করা ইত্যাদি সবকিছুই খাছ সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। বাংলায় যাকে গযল ও কবিতা বলা হয়। তবে এসবক্ষেত্রে গান ও সংগীত শব্দগুলি ব্যবহার করা হারাম নাজায়িয। কারণ, দ্বীন ইসলামে গান ও সংগীত বলতে কিছু নেই। গান, গীতি ও সংগীত শয়তানী ইবলীসী কার্যকলাপ। যা শরীয়তে সম্পূর্ণ হারাম ও নাজায়িয।

শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১০

নবীদের নবী রসূলদের রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে হযরত আমিনা আলাইহাস সালাম উনার স্বরচিত নাত শরীফ ও ব্যাখ্যা

বিশ্বখ্যাত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়তী রহমতুল্লাহি আলাইহি-উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব কিতাবুল আযীম ওয়া সুন্নাহ -এর মধ্যে মা আমিনা আলাইহাস্‌ সালাম উনার একখানা অবিস্মরনীয়, অদ্বিতীয় স্বরচিত নাত শরীফ যার জ্বলন্ত প্রমাণ। ঐ তিনি নাত শরীফ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত সমস্ত ছানা-ছিফত তুলে ধরেন।



ক্বাছীদা শরীফ-এর প্রতি নবীদের নবী, রসূলদের রসূল, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত

“বিভ্রান্ত লোকেরাই (মিথ্যুক, অশ্লীল, কুৎস্বা বর্ণনাকারী) কবিদের অনুসরণ করে।” (সূরাতুশ শুয়ারা-২২৪)

এ আয়াত শরীফ নাযিল হওয়ার পর হযরত আব্দুল্লাহ বিন রাওহা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত হাসসান বিন ছাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত কা’ব বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু প্রমূখ ছাহাবী কবি রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ ক্রন্দনরত অবস্থায় সাইয়্যিদুনা রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমতে উপসি'ত হয়ে আরয করেন, ইয়া রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আল্লাহ তায়ালা এ আয়াত শরীফ নাযিল করেছেন। আমরাও তো ক্বাছীদা-কবিতা রচনা করে থাকি। এখন আমাদের কি উপায়? তখন নবীদের নবী, রসূলদের রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আয়াত শরীফ-এর শেষাংশ পাঠ করো। অর্থাৎ ‘সূরাতুশ শুয়ারা’-এর ২২৪নং আয়াত শরীফ-এ বেদ্বীনদের অনর্থক, ভ্রান্ত, উদ্দেশ্য প্রনোদিত, কু-রুচি সম্পন্ন ও শরীয়ত বিরোধী কবিতার সমালোচনা করা হয়েছে। আর ২২৭নং আয়াত শরীফ বা উক্ত সূরার শেষাংশ দ্বারা ঈমানদার ও নেককার কবিদের উত্তম, নছীহতমূলক রুচি সম্পন্ন কবিতা বা ক্বাছীদা সমূহের প্রসংশা করা হয়েছে। তথা এরূপ ঈমানদার ও নেককার কবি ও তাঁদের উত্তম, রুচি সম্পন্ন ও শরীয়তসম্মত কবিতাসমূহ যে প্রগণযোগ্য সেটাই আয়াত শরীফ-এর শেষাংশ দ্বারা বুঝানো হয়েছে।

হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার “কবিতা প্রীতি”

কবিতা প্রসঙ্গে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “নিশ্চয়ই কোন কোন কবিতা জ্ঞানগর্ভ (হিকমত পূর্ণ) হয়ে থাকে। (বুখারী ও মুসলিম)

(শে’র) আরবী শব্দ। যার অর্থ হচ্ছে বৃদ্ধিমত্তা, নিপুণতা, সূক্ষ্ম জ্ঞান, পরমানু। প্রচলিত অর্থে পরিমিত ও ছন্দবদ্ধ বাক্যকে শে’র বা কবিতা বলা হয়। যাতে বক্তার মনের ইচ্ছা সীমত আকারে প্রকাশ পায়।

বাজনা ব্যতীত হামদ, নাত, ক্বাছীদা, গজল পাঠ করা ও শোনা জায়েয

সকল স্থানেই “গান-বাজনা” করা হারাম ও কবীরা গুণাহের অন্তর্ভূক্ত। তা যে কোন গানই হোক না কেন। যেমন নবী তত্ত্ব, মুর্শীদি, জারী, কাওয়ালী, পল্লীগীতি, ভাওয়ালী, ভক্তিমূলক ইত্যাদি যে কোন প্রকার গানেই হোক না কেন। তবে বাজনা বা বাদ্য-যন্ত্র ব্যতীত হামদ, না’ত, ক্বাছীদা, গজল ইত্যাদি পাঠ করা ও শোনা জায়েয রয়েছে।