পৃষ্ঠাসমূহ
- যামানার ইমাম
- আজকের ক্বওল শরীফ
- সুন্নাহ শরীফ
- মুসলিম নির্যাতন
- বাতিল ফিরকা
- চিকিৎসা সহায়তা
- প্রথম-পাতা
- ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিয়ে যুক্তিহীন বিতর্কের অবসান
- বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক আইন
- সামরিক প্রযুক্তি
- আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা ও নানা শাখা-প্রশাখা
- মুসলমানদের সামনে চ্যালেঞ্জ
- সন্তানদের শিক্ষাদান পদ্ধতি
- পবিত্র আল-বাইয়্যিনাত শরীফ উনার সূচী মুবারক
মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, ‘তোমরা সকলে আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও।’ (সূরা ইমরান-৭৯)
ফতওয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফতওয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৩
সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৩
ফতোয়া: কদমবুছী করা যায়িজ ও সুন্নত (২)
[ মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার ১২ তম সংখ্যা ( ঈসায়ী- নভেম্বর ১৯৯৩) থেকে সংগৃহীত ]
(২য় অংশ)
* আহকামে কদমবুছী
* হাক্কানী আলেমগণের ফযীলত
* সুন্নতের গুরুত্ব ও ফাযায়েল
* সাধারণ লোকদেরকে হাদিছ শরীফে দস্তবুছী, কদমবুছী ইত্যাদি করতে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু আলেম, আদেল, বুযুর্গ ব্যক্তিদের দস্তবুছী, কদমবুছী ইত্যাদি করার আদেশ রয়েছে।
সোমবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৩
খাছ সুন্নতী টুপির ফতোয়া-৬: লম্বা-কিস্তি টুপি, উচু-বুরনুস টুপি পড়া নাজায়িজ ।।
খাছ সুন্নতী টুপির ফতোয়া-৫: সুলতানুল হিন্দ, খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতি রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কর্তৃক বর্ণিত "চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি"-এর হাদিস শরীফখানা অবশ্যই সঠিক ও অনুসরণীয়।
[মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ৫৭ তম সংখ্যা (মে ১৯৯৮ ঈসায়ী) থেকে সংগৃহীত ]
- সুলতানুল হিন্দ, খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতি রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কর্তৃক বর্ণিত "চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি"-এর হাদিস শরীফখানা অবশ্যই সঠিক ও অনুসরণীয়।
- উঁচু বুরনুস টুপি খাছ করে নাছারাদের আমল। যে সকল বর্ণনায় বুরনুস টুপির প্রমাণ পাওয়া যায়, তা ইসলামের প্রথম যুগের আমল ছিল।
- কিস্তি বা দোপাট্টা টুপি পরিধান করা নাজায়িজ, যা খাছ করে হিন্দু মারওয়ারীদের আমল।
শনিবার, ৬ এপ্রিল, ২০১৩
বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০১৩
খাছ সুন্নতী টুপির ফতোয়া-৩: লম্বা-কিস্তি টুপি, উচু-বুরনুস টুপি পড়া হারাম এবং পাঁচ কল্লি (টুকরাবিশিষ্ট) টুপি পড়া বিদয়াত ।।
[মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ৫৫ তম সংখ্যা (মার্চ ১৯৯৮ ঈসায়ী) থেকে সংগৃহীত ]
আলোচ্য বিষয়াদিঃ
- সুন্নাহ শরীফ পালনে হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা-
- ইমামে আ'যম হযরত আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি
- সুলতানুল আউলিয়া হযরত বড় পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি
- সুলতানুল হিন্দ হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতি রহমতুল্লাহি আলাইহি
- কাইয়্যুমে আউয়াল হযরত মুজাদ্দিদে আলফে সানী রহমতুল্লাহি আলাইহি
- সুন্নতের আমল ব্যতীত মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হওয়া সম্ভব নয়।
- লম্বা, উঁচু, পাঁচ কল্লি, বুরনুস টুপি পড়া নাজায়িজ।
মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল, ২০১৩
শনিবার, ৩০ মার্চ, ২০১৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১২
সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১২
গ্রিনিচের পরিবর্তে প্রথম যমীন কাবা শরীফ যা ইহুদী-নাছারাসহ সকলেরই রসূল হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম-এরও ক্বিবলা তা থেকে পৃথিবীর সকল মানুষের জন্য সমস্ত স্থানের সময় নির্ধারণ করা উচিত
যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল
ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ,
ইমামুল আইম্মাহ,
মুহ্ইস্
সুন্নাহ, কুতুবুল
আলম, মুজাদ্দিদে
আ’যম,
আওলাদুর রসূল,
হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুনা, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ
হযরত মুর্শিদ
ক্বিবলা মুদ্দা
জিল্লুহুল আলী বলেছেন, “মহান আল্লাহ
পাক পবিত্র
কাবা শরীফ
সম্পর্কে ইরশাদ
করেন, ‘যা
নিয়ামত দ্বারা
পূর্ণ এবং
মানব ও
জ্বিন জাতির
জন্য পথ
প্রদর্শক।’
হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ
হয়েছে, ‘কাবা
শরীফ-এর
নিচের অংশটুকু
পৃথিবীর প্রথম
যমীন।’
মহান আল্লাহ
পাক ইরশাদ
করেন, ‘তোমরা
কাফির, মুশরিক
তথা ইহুদী,
নাছারা ও
মুশরিকদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করো না।’ আর
হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ
হয়েছে, যে
ব্যক্তি যে
সম্প্রদায়ের অনুসরণ করবে সে ব্যক্তি
তাদেরই দলভুক্ত
বলে গণ্য
হবে।’
কাজেই মুসলমানদের
জন্য সময়
নির্ধারণের ক্ষেত্রেও কাফির, মুশরিক, ইহুদী-নাছারাদের অনুসরণ
করা কস্মিনকালেও
শরীয়তসম্মত হবে না।
লেবেলসমূহ:
ক্বাবা শরীফ কেন্দ্রিক প্রমাণ সময়,
তাজদীদ,
ফতওয়া,
ফযীলতপূর্ণ স্থান
ইসলামের দৃষ্টিতে আসমান-যমীনের কেন্দ্র ‘পবিত্র কাবা শরীফ’ থেকে প্রাইম মেরিডিয়ান স্থির করে সকল সময়-অঞ্চল নির্ধারণ করা এবং GMT -এর পরিবর্তে KMT (Kaba Shareef Mean Time) বলা উচিত
মহান আল্লাহ পাক
ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ
পাক-এর নিকট মনোনীত
দ্বীন হচ্ছে ইসলাম।
ইসলামের দৃষ্টিতে আসমান-যমীনের
কেন্দ্র ‘পবিত্র কাবা শরীফ’ থেকে প্রাইম মেরিডিয়ান
স্থির করে সকল সময়-অঞ্চল
নির্ধারণ করা এবং GMT -এর
পরিবর্তে KMT (Kaba Shareef Mean Time) বলা
উচিত
যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল
ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও
মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস্
সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে
আ’যম,
আওলাদুর রসূল, হাবীবুল্লাহ,
সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ
শরীফ-এর মামদূহ হযরত
মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল
আলী বলেন, “মুসলমানদের একটি
নিজস্ব সৌন্দর্য রয়েছে।
লেবেলসমূহ:
ক্বাবা শরীফ কেন্দ্রিক প্রমাণ সময়,
তাজদীদ,
ফতওয়া,
মুসলমানদের আবিষ্কার
যুক্তি ও প্রমাণের আলোকে ভিডিওচিত্রঃ আসমান-যমীনের কেন্দ্র ‘পবিত্র কাবা শরীফ’ থেকে প্রাইম মেরিডিয়ান স্থির করে সকল সময়-অঞ্চল নির্ধারণ করা উচিত
Part-01
Part-02
লেবেলসমূহ:
ক্বাবা শরীফ কেন্দ্রিক প্রমাণ সময়,
ফতওয়া,
ভিডিও
সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১১
।। শরীয়তের ছহীহ ও গ্রহণযোগ্য ফতওয়া হলো- রোযা অবস্থায় যে কোন ধরনের ইনজেকশন, ইনসুলিন ও ইনহেলার নেয়া হোক না কেন তাতে অবশ্যই রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে।।
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ,
যামানার ইমাম
ও মুজতাহিদ,
ইমামুল আইম্মাহ,
মুহইস সুন্নাহ,
কুতুবুল আলম,
মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদুর রসূল,
হাবীবুল্লাহ, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর
মামদূহ হযরত
মুর্শিদ ক্বিবলা
মুদ্দা জিল্লুহুল
আলী বলেছেন,
মহান আল্লাহ
পাক ইরশাদ
করেন, “তোমাদের
মধ্যে যারা
অসুস্থ অথবা
মুসাফির তারা
অন্য সময়
রোযা রাখলেও
চলবে।”
আর হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ
হয়েছে, “রোযা
অবস্থায় শরীরের
ভিতরে কিছু
প্রবেশ করলে
অবশ্যই রোযা
ভঙ্গ হয়ে
যাবে।”
লেবেলসমূহ:
তাজদীদ,
ফতওয়া,
রোযা,
ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)



