নোটিশ

ইসলামের ইতিহাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইসলামের ইতিহাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১১

যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর একবার তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা ওয়াজিব আর তিনবার পাঠ করা মুস্তাহাব-সুন্নত।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা (হজ্জ কুরবানীর) নির্দিষ্ট কয়েক দিন মহান আল্লাহ পাক উনাকে স্মরণ করো
আর হাদীছ শরীফ- ইরশাদ হয়েছে, যিলহজ্জ মাসের তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর তাকবীর বলবে-
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ
ছহীহ গ্রহণযোগ্য ফতওয়া হলো- পুরুষ হোক, মহিলা হোক, মুক্বীম হোক, মুসাফির হোক, একা হোক বা জামায়াতে হোক প্রত্যেকের জন্য প্রতি ফরয নামাযের পর একবার তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা ওয়াজিব আর তিনবার পাঠ করা সুন্নত
যারা এর ব্যতিক্রম বলে তাদের কথা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ দলীলবিহীন

বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১১

হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম তিনি উনার ছেলে হযরত ইসমাইল আলাইহিস সালাম উনাকেই কুরবানী করার জন্য যমীনে শোয়ায়ে ছিলেন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, হযরত ইবরাহীম খলীল আলাইহিস সালাম তিনি উনার ছেলে (হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম) উনাকে বলেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম আপনাকে যবেহ করতেছি, আপনি কি বলেন? তখন হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, হে আমার সম্মানিত পিতা! আপনি যা আদিষ্ট হয়েছেন তা করুন অর্থাৎ যবেহ করুন। অবশ্যই আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন। আর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, আমি দুই যবেহ অর্থাৎ হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম ও হযরত খাজা আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাদের আওলাদ। হযরত ইসমাঈল যবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকেই কুরবানী করার জন্য যমীনে শোয়ানো হয়েছিলো এবং উনারই পরিবর্তে একটি দুম্বা কুরবানী করা হয়েছিলো।’ এটাই কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফদ্বয়ের বর্ণনা। আর হযরত ইসহাক আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কিত বর্ণনাটি ইসরাইলী তথা ইহুদীদের বর্ণনা, যা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা ও পরিত্যাজ্য।

বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১১

ছাহিবে শাফায়াতে কুবরা, ছাহিবে মাক্বামে মাহমূদ, ছাহিবে ঈমান, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বতের অনুপম দৃষ্টান্ত


لا يؤمن احدكم حتى يكون الله ورسوله احب اليه من نفسه وماله وولده ووالده والناس اجمعين
অর্থ: “তোমরা ততোক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবেনা যতোক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের নিকট আল্লাহ পাক ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা তোমাদের জান-মাল, পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি ও সমস্ত মানুষ হতে বেশি প্রিয় না হবেন।”

হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উক্ত বাণীর সত্যতা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম নিজেদের আমল দিয়ে এমনভাবে প্রমাণ করেছিলেন; যা বিশ্বের ইতিহাসে শুধু বিস্ময়কর নয় বরং কল্পনাতীত। নিচে কয়েকটি দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হলো-

সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০১১

নাসিখুল মিলান, নাবিইয়্যুম মুরসাল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বদদোয়া কাফিরদের প্রতি


تبت يدا ابى لهب وتب
আবু লাহাব এবং তার দুইহাত ধ্বংস হোক।”(সূরা লাহাব)

একদা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কুরাইশ গোত্রের দলপতিদের ছাফা পাহাড়ে আহবান করলেন। তখন নেতৃস্থানীয় কিছু কুরাইশ সেখানে উপস্থিত হলো। অতঃপর যথাসময়ে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তথায় উপস্থিত হয়ে বললেন: “আমি যদি বলি এই পাহাড়ের পাদদেশে একদল শত্রু অবস্থান করছে, আপনারা কি আমার কথা মেনে নিবেন?” তারা বললো: অবশ্যই মেনে নিবো। কারণ আপনি হচ্ছেন ‘আল আমীন।’ অর্থাৎ চরম সত্যবাদী। আপনি যা বলবেন, আমরা তা বিনা সন্দেহে মেনে নিবো।

আওওয়ালু শাফিয়িন, আওওয়ালু মুশাফফায়িন, আহলুল্লাহ, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ‘শিআবে আবু তালিব’-এ অবস্থান এবং তা থেকে গ্রহণীয় নছীহত


لكل نبى عدوا شياطين الانس و الجن
অর্থ: “প্রত্যেক নবী-রসূল আলাইহিমুসসালাম উনাদের শত্রু তারাই যারা জিন-ইনসানের মধ্যে শয়তান প্রকৃতির।” (সূরা আনয়াম : আয়াত শরীফ ১১২)

কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ মারফত জানা যায়, আল্লাহ পাক উনার প্রথম নবী ও রসূল হযরত আদম আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে আখিরী রসূল হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত প্রত্যেক নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের শত্রু ছিলো। এমন একজন নবী কিংবা রসূল অতীত হননি যাঁর কোনো বিরোধিতা করা হয়নি বা শত্রু ছিলো না।