নোটিশ

তারাবীহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
তারাবীহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৩০ জুন, ২০১৩

যারা তারাবীহ নামাযকে আট রাকায়াত বলে-তাদের এ বাতিল দাবীর দলীল ভিত্তিক খন্ডন

যারা তারাবীহ নামাযকে আট রাকায়াত বলে, তারা যে দলীল পেশ করে, তা মূলত-
  • তাহাজ্জুদ নামায সংক্রান্ত দলীল
  • হাদিছ শরীফের সনদ যয়ীফ
  • হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের আমল হল ২০ রাকায়াত।
নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলঃ

শনিবার, ২৯ জুন, ২০১৩

তারাবীহ নামায ও তাহাজ্জুদ নামায এর পার্থক্য


বাতিল পন্থীরা রমাদ্বান শরীফ মাসে তারাবীহ নামায আট রাকায়াতের স্বপক্ষে দলীল হিসাবে নিম্নোক্ত জইফ হাদীছ শরীফখানা পেশ করে থাকে যা মূলতঃ তাহাজ্জুদ নামাযকে বুঝানো হয়েছে। হাদীছ শরীফ- ইরশাদ হয়েছে যে, মুহম্মদ ইবনে হুমাইদুর রাযী, ইয়াকুব ইবনে আব্দুল্লাহ উনার থেকে, তিনি ঈসা ইবনে জারিয়া হতে, তিনি হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রমাদ্বান শরীফ মাসে আট রাকায়াত নামায পড়েছেন এবং বিতর নামায আলাদা আদায় করেছেন। (ক্বিয়ামুল লাইল)
নিচে তারাবীহ তাহাজ্জুদ নামায যে একই নামায নয়,  তার প্রমাণ তুলে ধরা হলোঃ

প্রথমতঃ
তারাবীহ তাহাজ্জুদ শব্দের অর্থ দ্বারাই স্পষ্ট প্রমাণিত যে, তারাবীহ তাহাজ্জুদ নামায একই নামায নয়।

) তারাবীহ শব্দের তাহ্ক্বীক্বী অর্থঃ
রমাদ্বান শরীফ মাসে (তারাবীহ নামাযে) প্রতি রাকায়াত পর মুসল্লীদের বিশ্রাম দেওয়াকে তারবীহাতুনবলে। প্রতি রাকায়াত পর মুসল্লীরা বিশ্রাম নেয় বলেই এটাকে তারাবীহ নামায বলে।

বিশ রাকায়াত তারাবীহ নামায সহীহ হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত


তারাবীহ নামায কত রাকায়াত পড়তে হবেমূলতঃ তারাবীহ নামায বিশ রাকায়াতই পড়তে হবে। কারণনূরে মুজাসসামহাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাহিমুস সালাম উনারাসহ সকল ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা  চার মাযহাবের ইমাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারাসহ সকল ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা ২০ রাকায়াত তারাবীহ আদায় করেছেন।

হাদীছ শরীফ  ইরশাদ হয়েছে, “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিশ রাকায়াত তারাবীহ নামায পড়তেন বিতর নামায ব্যতীত। অর্থাৎ তারাবীহ বিশ রাকায়াত এবং বিতর তিন রাকায়াত মোট তেইশ রাকায়াত” (মুছান্নাফ ইবনে আবী শায়বা)

বুধবার, ৮ মে, ২০১৩

তাহাজ্জুদ নামায পড়ার নিয়ম ও হুকুম

[মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ ২০ তম সংখ্যা (জানুয়ারী ১৯৯৫ ঈসায়ী), ৭তম সংখ্যা (জুলাই-আগস্ট ১৯৯২ ঈসায়ী) ও ১৪তম সংখ্যা (মার্চ‌-মে ১৯৯৪ ঈসায়ী) থেকে সংগৃহীত ]


বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১২

|| তারাবীহ নামায ২০ রাকায়াতই পড়তে হবে। এক রাকায়াতও যদি কেউ কম পড়ে তাহলে ওয়াজিব তরকের গুনাহ হবে ||


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন,তোমাদের জন্য আমার সুন্নত ও খুলাফায়ে রাশিদীন বা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সুন্নত অবশ্যই পালনীয়।
স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সকল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা এবং পরবর্তীতে চার মাযহাবের ইমামগণ উনারাসহ অনুসরণীয় সকল ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বিশ রাকায়াত তারাবীহ নামায পড়েছেন।
কাজেই তারাবীহ নামায ২০ রাকায়াতই পড়তে হবে। এক রাকায়াতও যদি কেউ কম পড়ে তাহলে ওয়াজিব তরকের গুনাহ হবে।
যারা ৮ রাকায়াত বা ১২ রাকায়াত তারাবীহ-এর কথা বলে তারা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের অন্তর্ভুক্ত নয়। বরং তারা বাতিল ও গুমরাহ ৭২ ফিরক্বার অন্তর্ভুক্ত।

||শরীয়তের দৃষ্টিতে তারাবীহ নামাযসহ যে কোন নামাযের পরই হাত উঠিয়ে সম্মিলিতভাবে দোয়া-মুনাজাত করা জায়িয ও সুন্নত||


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা আমার নিকট দোয়া-মুনাজাত কর, আমি তোমাদের দোয়া-মুনাজাতকে কবুল করবো। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করে না, মহান আল্লাহ পাক তিনি সে ব্যক্তির প্রতি অসন্তুষ্ট হন। শরীয়তের দৃষ্টিতে ফরয নামাযের ন্যায় তারাবীহ নামাযসহ যে কোন নামাযের পরই হাত উঠিয়ে সম্মিলিতভাবে দোয়া-মুনাজাত করা জায়িয ও সুন্নত। তাই প্রত্যেকের উচিত তারাবীহ নামাযের চার রাকায়াত পর পর বিশ্রাম নেয়া, দোয়া পাঠ করা, তওবা-ইস্তিগফার করা ও সম্মিলিতভাবে হাত উঠিয়ে মুনাজাত করা। যারা তারাবীহ নামাযের পর দোয়া-মুনাজাত করার বিপক্ষে বলে তারা বিদয়াতী ও গুমরাহ।

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আযম, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কেউ কেউ বলে থাকে- চার রাকায়াত পর পর দোয়া করার কোন বর্ণনা নেই, একবারে বিশ রাকায়াত শেষ করে দোয়া করতে হবে। মূলত যারা এ কথা বলে থাকে তারা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ সম্পর্কে নেহায়েতই অজ্ঞ ও গন্ড মূর্খ।

মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১১

শরীয়তের দৃষ্টিতে তাহাজ্জুদ নামায ইমামের সাথে চারজন মুক্তাদীসহ জামায়াতে আদায় করা মাকরূহ তাহরীমী ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘প্রত্যেক বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহই গুমরাহী; প্রত্যেক গুমরাহ ব্যক্তি জাহান্নামী শরীয়তের দৃষ্টিতে তাহাজ্জুদ নামায ইমামের সাথে চারজন মুক্তাদীসহ জামায়াতে আদায় করা মাকরূহ তাহরীমী বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ। চাই রমাদ্বান শরীফ- হোক অথবা গায়িরে রমাদ্বান শরীফ- হোক এর উপরই ইজমা বা ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কাজেই যারা তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে আদায় করবে তারা বিদয়াতী গুমরাহদের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে